শূন্য নয়, বরং শূন্য থেকে শুরুর ইঙ্গিত

এরা আজ হয়ত হেরে গেল। আজ হয়ত মানুষ এই উজ্জ্বল ছেলেগুলোকে ফিরিয়ে দিল। কিন্তু লিখে রাখুন, এই একঝাঁক ছেলেমেয়েই বাংলার রাজনীতির ভবিষ্যৎ। আগামীর দেওয়াল লিখন এরাই লিখবে। তাই আবার বলছি, এই শূন্য আসলে শূন্য নয়। এ শুধু শূন্য থেকে শুরুর ইঙ্গিত।

রবি ঠাকুরের বউদিকে নিয়ে বাঙালির আগ্রহের শেষ নেই

রবি ঠাকুরের লেখা পড়ি আর নাই পড়ি, তাঁর বিয়ে নিয়ে, বউ নিয়ে, চরিত্র নিয়ে আমাদের কৌতূহলের অন্ত নেই। রবীন্দ্র জয়ন্তীতেও সেই কৌতূহল থেমে নেই। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।

কতটা মানবিক, বুঝিয়ে দিল বোর্ড

ভাল লাগল বোর্ডের সংবেদনশীল আচরণ। তাঁরা নিজেদের ঘাড় থেকে দায়িত্ব ঝেড়ে ফেলেননি। প্রতিটি বিদেশি ক্রিকেটার যেন নিরাপদে বাড়ি পৌঁছতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করেছেন। বিদেশি ক্রিকেটারদের জন্য চার্টার্ড বিমানের ব্যবস্থা করেছেন।

শুভেন্দুর পায়ে শিকল না দিলেই নয়

শুভেন্দু অধিকারী যে বিরোধী দলনেতা হতে চলেছেন, এটা নিয়ে কোনও সংশয় থাকার কথা নয়। যাঁরা রাজ্য রাজনীতির গতিপ্রকৃতির সামান্যতম খোঁজখবর রাখেন, তাঁদের কাছে কোনও সংশয় নেই। সত্যি করে বলুন তো, শুভেন্দু ছাড়া আর কার নাম নিয়ে আলোচনা চলতে পারে!‌ আর কাউকে বিরোধী নেতা হিসেবে ভাবা যায়!‌

সিপিএম–‌কে জ্ঞান দেওয়া এখন খুব সহজ

যেদিকেই তাকান, সিপিএম–‌কে জ্ঞান দেওয়ার লোকের অভাব নেই। ইদানীং সেই জ্ঞান দেওয়া লোক অনেক বেড়ে গেছে। তাঁদের দেখা যায় পাড়ার চায়ের দোকানে, টিভির আলোচনায়, সংবাদপত্রের অফিসে। সিপিএমের কেন এমন হল, তাঁদের কী করা উচিত ছিল, কোথায় কী কী ভুল ছিল, তা নিয়ে কত জ্ঞানগর্ভ আলোচনা। যেন সিপিএম নেতারা কিছুই বোঝেন না। যত বোঝেন, এই সবজান্তারা। এঁদের পরামর্শ মেনে চললেই হয়ত সিপিএম সরকার গড়ে ফেলত।

হার মানতে শিখুন, এখন আর আবোল তাবোল মানায় না

এত বিশাল জয়ের পরেও আবোল তাবোল বকার অভ্যেসটা গেল না। একজন দায়িত্বশীল মুখ্যমন্ত্রী এরকম লাগামছাড়া মিথ্যে বলে যেতে পারেন!‌ যত বড় ব্যবধানেই তৃণমূল জিতুক, মিথ্যেটাকে মিথ্যেই বলতে হবে। এবং এই অভ্যেস সহজে যাওয়ার নয়। সেটাই তিনি ফের বুঝিয়ে দিলেন।

বিনয় মিশ্ররা জানেন, সিবিআইয়ের দৌড় কতদূর

উত্তম জানা অনেকদিন ধরেই অভিযোগ উঠছে, নেতারা কোভিড বিধি মানছেন না। তাঁরা মিটিং করছেন, মিছিল করছেন, জনসভা করছেন, রোড শো করছেন। আর হাজার হাজার জনতা মাস্ক ছাড়াই সেই মিছিলে সামিল...

যদি তিনি সত্যিই এমন শপথ নিতেন!‌

রাজভবনে আজ অনাড়ম্বর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। শপথের বয়ান কী হবে, মোটামুটি জানা। কিন্তু যদি অন্যরকম শপথ হত। যদি অকপটে সব মনের কথা বলতে পারতেন, যদি ভুলগুলো স্বীকার করে সেগুলো শুধরে নেওয়ার অঙ্গিকার করতেন! এমনই এক শপথবাক্যের খসড়া। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

মানসের বদলে রাজ্যসভায় যশবন্ত সিনহা!‌

লোকসভার কোনও এমপিকেই টিকিট দেয়নি তৃণমূল। তবে রাজ্যসভার সদস্য মানস ভুঁইয়া ফের জিতে এসেছেন সবং থেকে। ফলে, রাজ্যসভায় একটি আসন ফাঁকা হচ্ছে। কে যাবেন। এখন থেকেই জল্পনা শুরু তৃণমূলে। জোরালো সম্ভাবনা যশবন্ত সিনহার।