বামেদের যে এত শুভাকাঙ্খী, এই কলমচিদের না দেখলে জানাই যেত না

যাঁরা যে কলমে সিপিএমকে গাল দিচ্ছেন, তাঁরাই সেই কলম দিয়ে সিপিএমকে প্রাসঙ্গিক করে তুলছেন। সত্যিই, সিপিএম–‌কে জ্ঞান দেওয়া এখন কত সহজ। যে পারছে, জ্ঞান দিয়ে যাচ্ছে। বামেদের যে এত শুভাকাঙ্খী আছে, এই কলমচিদের লেখা না পড়লে জানাই যেত না। একটু ভেবে দেখুন, মার্কসবাদী কোচিং সেন্টার বলে কিছু একটা চালু করা যায় না। লিউ সাওচি পড়বেন আর পড়াবেন। লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।

লোয়ার কোর্টে কীভাবে রায় হয়, বুঝিয়ে দিলেন আইনমন্ত্রী

বিচারপ্রক্রিয়া হচ্ছে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে। খোদ অভিযুক্তরাই আদালতে নেই। দুই পক্ষের আইনজীবীরাও আদালতে নেই। তাহলে দল বেঁধে এই তিন মন্ত্রী আদালতে গেলেন কেন?‌ ফল কী হল, সন্ধেবেলায় পরিষ্কার হয়ে গেল। এত দাবড়ানি খেয়ে স্থানীয় আদালতের বিচারক কী রায় দেবেন, মোটামুটি জানাই ছিল। ঠিক সেটাই হল। কেন লোয়ার কোর্টের রায় একপেশে হয়, এটা তার ছোট্ট একটা নমুনা।