চ্যালেঞ্জ দরজায় হাজির, এদিকে খিড়কি খুঁজছেন শুভেন্দু

বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে বোঝা যাচ্ছে, শুভেন্দু হয়ত নন্দীগ্রামকে এড়িয়েই যাবেন। হয় ভোটেই দাঁড়াবেন না। নইলে, দাঁড়ালেও অন্য কোনও নিরাপদ কেন্দ্র খুঁজবেন। যিনি নিজের কেন্দ্র ছেড়ে অন্য কেন্দ্র খোঁজেন, তাঁর হুঙ্কারে মানুষ বিশ্বাস করবে কেন?‌ শুভেন্দু, চ্যালেঞ্জ আপনার দরজায় এসে হাজির হয়েছিল। আর আপনি কিনা খিড়কির দরজা কোনদিকে, তার খোঁজ করছেন।লিখেছেন হেমন্ত রায়।

নিছক সমঝোতা নয়, জোটের নীতি স্পষ্ট হওয়া জরুরি

দুই দলই সিদ্ধান্তে আসুক, তৃণমূল থেকে আসা কাউকে প্রার্থী করা হবে না। পাঁচ বছর আগে তৃণমূল থেকে আসা অনেকেই কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিলেন (‌এমনকী বাম তালিকাতেও এমন দু–‌একজন ছিলেন)‌। ফল কী হল?‌ ভোটে জেতার পর তাঁদের প্রায় সবাই ‘‌উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে’‌ শামিল হয়ে গেলেন। সেই ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া খুব জরুরি। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।

নন্দনের এই আজগুবি নিয়ম কবে যে বদলাবে!‌

ওপেন ফোরাম করোনা আবহে সিনেমা হলের সঙ্গে কতদিন সম্পর্ক নেই। কতদিন প্রিয় নন্দন চত্বরে যাইনি। প্রথমেই বলে রাখা ভাল, আমি স্মার্টফোন থেকে কিছুটী দূরে দূরেই থাকি। তাই তখাকথিত অ্যাপ বা...

এই সাহসিকতাকে কুর্নিশ না জানান, কটাক্ষ করবেন না

কোনও সন্দেহ নেই, বেশ বড়সড় ঝুঁকিই নিলেন মমতা। ফল কী হবে, ভবিষ্যৎ বলবে। কিন্তু নিজেকে নিরাপদে রেখে অন্যদের এগিয়ে দেওয়া নয়। নিজেকেই এগিয়ে দিলেন। এই সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানাতে না পারুন, কটাক্ষ না করাই ভাল।

ইন্টারভিউ নিতে ডাকলেন সুচিত্রা সেন!‌

ফোন করে ডাকলেন। ইন্টারভিউ দিলেন। কিন্তু কিছুতেই ছবি তুলতে দিলেন না। কেমন ছিল সেই ইন্টারভিউ?‌ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

আগে সুচিত্রা, পরে উত্তম

এখন তো ইন্টারনেটের যুগ। একটু সার্চ করলেই অনেক ছবির পোস্টার পেয়ে যাবেন। বা টিভিতেও মাঝে মাঝেই পুরনো ছবিগুলো দেখায়। ঘরে ডিভিডি থাকলে তো কথাই নেই। আরও ভাল করে ছবিগুলো দেখুন। টাইটেল কার্ডে সবার আগে সুচিত্রার নাম। আগে সুচিত্রা, তারপর উত্তম।

সুচিত্রার সঙ্গে বন্ধুত্বের শুরুই ঝগড়া দিয়ে

তিনি ছিলেন কিংবদন্তি সাংবাদিক। একইসঙ্গে সুচিত্রা সেনের বন্ধু। তিন বছর আগে সুচিত্রা বিদায় নিয়েছেন। তিনিও বিদায় নিলেন গত বছর। কীভাবে আলাপ? তিন বছর আগে সেই স্মৃতিই মেলে ধরেছিলেন বর্ষীয়াণ সাংবাদিক অমিতাভ চৌধুরি। সুচিত্রা সেনের মৃত্যুদিনে সেই স্মৃতিচারণ তুলে আনা হল বেঙ্গল টাইমসে।

একটা উত্তম কুমার ছিলেন, তাই উতরে গেছেন

সাফ কথা, উত্তম না থাকলে সুচিত্রা অচল। অথচ হরেক বায়নাক্কা। উত্তমের থেকে বেশি টাকা চাই। পোস্টারে নাম আগে থাকবে। কিন্তু অভিনয়? সত্যিকারের মহানায়িকা হলে, অন্যদের সঙ্গে ছবি হিট হত। যেমন হত উত্তমের। সুচিত্রার অভিনয় জীবনের তিনটে সম্বল। সন্ধ্যার গান, উত্তমের অভিনয় আর ঘাড় ঘুরিয়ে চোখ টেরিয়ে তাকানো। নন্দ ঘোষের শিকার এবার সুচিত্রা সেন।