দ্বিধা ছেড়ে এখনই চূড়ান্ত হোক ইয়েচুরির নাম
এই পরিস্থিতিতে কী করা উচিত? আর কোনও দ্বিধা নয়। সব জড়তা ভেঙে, সব ছুৎমার্গ বিষর্জন দিয়ে এখনই চূড়ান্ত করা হোক সীতারাম ইয়েচুরির নাম। লিখেছেন প্রসূন মিত্র।
এই পরিস্থিতিতে কী করা উচিত? আর কোনও দ্বিধা নয়। সব জড়তা ভেঙে, সব ছুৎমার্গ বিষর্জন দিয়ে এখনই চূড়ান্ত করা হোক সীতারাম ইয়েচুরির নাম। লিখেছেন প্রসূন মিত্র।
মৃত্যুর পরেও আপনি বেঁচে থাকতে পারেন। না, এ কোনও ‘নির্বিকল্প সমাধি’ নয়।কোনও অমরত্বের আশীর্বাদ বা পুণ্য অর্জনও নয় । আপনি বেঁচে থাকতে পারেন অন্য কোনও শরীরে। না, কোনও ভূতের গল্পও নয় । আসলে ,আপনার মৃত্যুর পরেও আপনার দুটি চোখ এই পৃথিবীর আলো দেখতে পারে। আপনার দুটি কিডনি দুই মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচাতে পারে ।
আমরা অনেকেই ফেসবুক, হোয়াটস আপ ব্যবহার করি। বাইরে বাইরে বন্ধুরা ছড়িয়ে আছেন। আমরা যদি নিজেদের প্রোফাইলে রোজ উত্তরবঙ্গের একটা করে সুন্দর ছবি পোস্ট করি, তাহলে তা অন্যান্য বন্ধুদেরও নজরে পড়বে। রোজ উত্তরবঙ্গের অজানা সব জায়গা দেখে তারাও আকৃষ্ট হতে পারেন। যিনি হয়ত দক্ষিণ ভারত যাবেন বলে ভাবছেন, তিনি উত্তরবঙ্গেও আসতে পারেন। এতে এইসব জায়গাগুলো আরও জনপ্রিয় হবে। কারণ, যাঁরা ঘুরে যাবেন, তাঁরা তাঁদের বন্ধুদের বলবেন। তাঁরাও সোশাল মিডিয়ায় প্রচার করবেন।
ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে দূরে থাকুন। খারাপ স্মৃতি তো সবারই থাকে। সেই কাদা ঘেঁটে, অন্যকে দোষারোপ করে লাভ কী? আমরা না হয় ভাল স্মৃতিগুলোকে নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করলাম। বেঙ্গল টাইমসের পাতায় সেই সুখস্মৃতি ভিড় করুক।
অন্তত যাঁরা বইপ্রেমী, তাঁরা শীতের রোদ গায়ে মেখে একটু রবীন্দ্র ওকাকুরা ভবন থেকে ঘুরে আসুন। শুরু হয়ে গেছে লিটল ম্যাগাজিন মেলা। রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে বেরোচ্ছে অসংখ্য পত্রিকা। কত বিষয় বৈচিত্র্য। কত লড়াই, খেটেখুটে তৈরি কত লেখা। সেইসব বই একটু উল্টে পাল্টে দেখবেন না? বাণিজ্যিক বইয়ের সেই মোড়ক হয়ত নেই। প্রচারেও অনেক পিছিয়ে। কিন্তু বিষয় গভীরতায় হয়ত খুব পিছিয়ে নয়। বরং কিছুটা এগিয়েই।
যাঁরা সারা বছর সাহিত্য চর্চা করেন, বইপত্রের খোঁজ রাখেন, তাঁরা নিশ্চয় আসবেন এই মেলায়। বইপ্রেমী হলে আপনিও চলেই আসুন।
কোনও একটি কাগজে ভুল হতেই পারে। কিন্তু সব কাগজে একই ভুল কী করে হয়! কোনও এক রিপোর্টার ভুল লিখতেই পারেন। কিন্তু এতগুলো ছাঁকনি পেরিয়ে কীভাবে এই ভুলটা থেকে গেল! তাও আবার সব কাগজেই! সামান্য একটা প্রতিবেদন। বাংলা সাংবাদিকতাকে বোধ হয় বেআব্রু করে দিয়ে গেল। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
অন্য কেউ সিএএ বিরোধীতা করছে, তা তিনি মানবেন না। তাই বিধানসভায় সর্বদলীয় প্রস্তাব আনার দাবিকে ফিরিয়ে দিলেন। গোটা বাংলা প্রতিবাদ করছে, এটা দেখাতে তিনি চান না। তিনি একা প্রতিবাদ করছেন, এটা তুলে ধরতেই বেশি ব্যস্ত। সবই দেরিতে বোঝেন। এটাই হয়ত দেরিতেই বুঝবেন। তখন তিনি নিজেই প্রস্তাব আনতে উঠে পড়ে লাগবেন। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
একজন সাধারণ কনস্টেবল বা সিভিক ভলান্টিয়ার এভাবে গাড়ি ভাঙচুর করতে যাবেন! বিশ্বাস করা কঠিন। উপর মহলের নির্দেশ ছাড়া এই কাজ হয় না। সেই উপর মহলটা কে? কোনও তদন্ত কমিটির হিম্মৎ হবে, সেই উপর মহলে আলো ফেলার! লিখেছেন রক্তিম মিত্র।
একসমযের খুব জনপ্রিয় ফিচার আমলাগাছি। লিখতেন দুই প্রাক্তন আমলা ভগীরথ মিশ্র ও তপন বন্দ্যোপাধ্যায়। দুটি আলাদা বই হয়েও বেরিয়েছিল। নতুন বছর থেকে শুরু হয়ে গেল আমলাগাছির দ্বিতীয় কিস্তি। এবার আর সাপ্তাহিক বর্তমান নয়, তথ্যকেন্দ্রে।
কলকাতা আর শিলিগুড়ির দূরত্ব অনেকটাই কমে আসবে। ট্রেন যাত্রার ক্ষেত্রে অন্তত ২ ঘণ্টা আগে পৌঁছে যাওয়া যাবে শিলিগুড়ি। কারণ, দার্জিলিং মেল এবার থেকে পুরোটাই চলবে ইলেকট্রিক ইঞ্জিনে।