বেঙ্গল টাইমস। জ্যোতি বসু সংখ্যা।

গত সপ্তাহে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ সংখ্যা ছিল বিধানচন্দ্র রায়কে নিয়ে। নানা মহলে দারুণ সাড়া পেয়েছে সেই সংখ্যাটি। আপন নিয়মেই ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপে ছড়িয়ে যাচ্ছে। যাঁরা পড়ছেন, নিজের কাছের মানুষদের শেয়ার করছেন,...

‌সব চা একইরকম, প্যাকেটগুলো আলাদা

  সরল বিশ্বাস এশিয়ার প্রথম মহিলা টি টেস্টার কে?‌ তিনি কিন্তু এই বাংলাতেই থাকেন। নাম ডলি রায়। চায়ের দুনিয়ায় বেশ পরিচিত নাম। কিন্তু বাঙালি সেভাবে খোঁজ রাখেনি। এই ডলি রায়ের...

‌ ভাইরাল হয়েই থেকে গেল ‘‌এমন তো কতই হয়’‌

রক্তিম মিত্র আগে ভাইরাল বললে বোঝাত ভাইরাল জ্বর। গত কয়েকবছর এই শব্দের মানেটাই কেমন বদলে গেছে। এখন ভাইরাল বললে এসে যায় ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম এইসব। মোদ্দা কথা, কোনও লেখা বা...

‌কারও ‘‌দাদা’‌ হয়ে ওঠার চেষ্টা করেননি

সোশ্যাল মিডিয়ায় আচ্ছন্ন প্রজন্মের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়, জ্যোতি বসু ঠিক কেমন ছিলেন। সিলেবাসেও নিজেকে ঢোকানোর চেষ্টা করেননি। ইউটিউব বা সবজান্তা গুগল ঘাঁটলেও বিরাট কিছু পাবেন না। ঢালাও বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচারের আনুকূল্যে জ্যোতি বাবুদের ভেসে থাকতে হয় না। তাঁরা থেকে যান কাজে। তাঁরা থেকে যান চেতনায়। ‘‌জ্যোতি বসু, ছোট্ট নাম, কী বিরাট ব্যক্তিত্ব’‌।‌ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।

পাহাড় হাসছে, জ্যোতিবাবুকে কখনও এমন ঢাক পেটাতে হয়নি

আশির দশকেও পাহাড় উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে। কীভাবে সামাল দিয়েছিলেন জ্যোতি বসু?‌ তাঁর জন্মদিনে সেই কথাই উঠে এল বেঙ্গল টাইমসের প্রতিবেদনে। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

জ্যোতিবাবু জঙ্গলের বড় বাঘের মতো

কয়েক বছর আগে, জ্যোতি বসুর জন্মদিনে ইজেডসিসি-তে একটি অনুষ্ঠান। সেখানে জ্যোতি বাবুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি ভাষণ দিয়েছিলেন বর্ষীয়াণ সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। একেবারে ভিন্নধর্মী একটি ভাষণ। বেঙ্গল টাইমসে সেই লেখাটি প্রকাশিত হয়েছিল। এখনও মাঝে মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আপন খেয়ালে লেখাটি ঘুরে বেড়ায়। সেই লেখাটি তুলে ধরা হল।

দলে সৌরভ, বাদ স্নেহাশিস!‌

রনজি ট্রফিতে কীভাবে অভিষেক হয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলির?‌ কার বদলে দলে এসেছিলেন?‌ এক জমজমাট ছবির চিত্রনাট্য হতেই পারে। সৌরভের জন্মদিনে সেই রনজি ফাইনালের কথা তুলে আনলেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।

॥ বড় বাবু ॥

বেঙ্গল টাইমসে শনি ও রবিবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় সাহিত্য বিভাগকে। এবার একটি স্মৃতিচারণধর্মী গল্প। সুদূর আমেরিকা থেকে পাঠিয়েছেন বিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্ত।

বাস্তবের মাটিতে নেমে আসুক নির্বাচন কমিশন

ধরা যাক, ব্যালট এল। সন্ধেবেলায় বন্দুক নিয়ে পাড়ার পল্টুরাও এল। মেসোমশাই, ব্যালটটা দিয়ে দিন, আমরা ফেলে দেব। সেই ‘‌মেশোমশাই’‌ কী করবেন?‌ বুথেই প্রশাসন নিরাপত্তা দিতে পারছে না। বাড়িতে বাড়িতে নিরাপত্তা দেবে?‌ আমাদের নির্বাচন কমিশনের সেই মেশিনারি আছে?‌ প্রশাসনের সেই বিশ্বাসযোগ্যতা আছে?‌ লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।

বনস্পতির ছায়া দিলেন সারাজীবন

(‌ ‌আজ ২ জুলাই। কিংবদন্তী জননেতা অশোক ঘোষের জন্মদিন। ঠিক ৫ বছর আগে, তাঁর জন্মদিনে বেশ কয়েকটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল বেঙ্গল টাইমসে। তার কয়েকটি লেখা আবার প্রকাশিত হচ্ছে। যাঁরা আগে পড়েননি, তাঁরা এখন পড়ে নিতে পারেন। যাঁরা পড়েছেন, তাঁরা আবার পড়লেও মন্দ লাগবে না। )‌