চায়ের দোকান আর সংসদ এক নয়, বিরোধীরা কবে বুঝবেন!

এভাবেই সংসদের বিতর্ক ক্রমশ লঘু হয়ে যাচ্ছে। কোন বিল নিয়ে কাকে বলানো উচিত, সেই সিদ্ধান্তটাই নিতে পারছে না বিরোধীরা।পাড়ার চায়ের দোকান আর সংসদ যে এক নয়, এই সহজ ব্যাপারটাই বিরোধীরা এখনও বুঝতে চাইছেন না। এমনিতেই অনেকে হেরে গেছেন। বিরোধীদের অনেক বড় বড় বক্তা লোকসভায় আসার ছাড়পত্রই পাননি। যে কয়েকজন আছেন, তাঁদেরকেও যদি ঠিকঠাক তুলে ধরা না যায়, আখেরে কার লাভ! লিখেছেন সৌম্যদীপ ঠাকুর।

ফের বোঝা গেল, ফিরহাদ অনেক বেশি বিচক্ষণ

প্রথম দিনেই আসল সত্যিটা আঁচ করেছিলেন ফিরহাদ হাকিম। বুঝেছিলেন, এই ঝামেলা, এই হিংসা তৃণমূলকেই অনেক পিছিয়ে দেবে। যত হিংসাত্মক ঘটনা ঘটবে, ততই অক্সিজেন পাবে বিজেপি। এই সহজ সত্যিটা যদি মুখ্যমন্ত্রী বুঝতেন!