গোটা রাজ্যে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ শাসকদলের তাঁবেদারির। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী বললেন উল্টোটা। পুলিশ নাকি বেছে বেছে তৃণমূল কর্মীদের নামে কেস দিচ্ছে। অর্থাৎ, বলতে চাইলেন, আরও বেশি করে তৃণমূলের কথাই শুনতে হবে। এই বার্তা দিলেন সরকারি সভা থেকে। পুলিশমন্ত্রীকে কোনটা বলতে হয়, কোনটা বলতে নেই, এটা বাচ্চা ছেলেও জানে। শুধু তিনিই জানেন না।
বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহালয়া কে না শুনেছেন। দেবীপক্ষ এলেই বেজে ওঠে সেই কণ্ঠস্বর। কিন্তু মহানায়ক উত্তম কুমারের কণ্ঠেও একবার মহালয়া সম্প্রচার হয়েছিল। তা নিয়ে অনেক বিতর্কও হয়েছিল। চাইলে, সেই মহালয়া শুনতে পারেন বেঙ্গল টাইমস থেকে। দেওয়া হল সেই মহালয়ার ইউটিউব লিঙ্ক।
তিনি কী কী সাহিত্য রচনা করেছেন, বাংলা গদ্যকে কতখানি সাবলীল করেছেন, সেসব সাহিত্যের গবেষকরা বলবেন। সমাজ সংস্কারে কতটা দৃঢ়তা দেখিয়েছেন, সেকথাও কারও অজানা নয়। কিন্তু সেসবের পাশাপাশি বলতেই হয়, এই দেশে মেয়েদের এত বড় বন্ধু আর আসেনি। লিখেছেন মধুজা মৈত্র।
ঊর্মিমালা বসু, আপনারও তো সমাজের প্রতি কিছু দায়িত্ব আছে। যাদবপুরের ছাত্রছাত্রীরা যেমন আপনার স্নেহের পাত্র, বাবুলও তো আপনার স্নেহের পাত্র হতে পারে। বাবুল আপনার ছেলের বয়সী। তাই সেই পুত্রসম বাবুলের প্রতি মাতার দায়িত্ব পালন করুন।কীভাবে ? সেই উপায় বাতলে দিলেন ময়ূখ নস্কর।
এন আর সি নিয়ে অহেতুক আতঙ্ক ছড়িয়ে যাচ্ছে। বিজেপির উদ্দেশ্য না হয় বোঝা যায়। কিন্তু তৃণমূল, বাম, কংগ্রেস কেন সেই ফাঁদে পা দিচ্ছে? সারাক্ষণ এনআরসি–এনআরসি করে তাকে প্রাসঙ্গিক করার দায়িত্বটা যেন তাঁরাই নিয়ে নিয়েছেন। তাই এই আতঙ্ক ছড়ানোর পেছনে তাদের ভূমিকাও কম নয়।
ছাত্রদের আবেগ বোঝা ভাজপা শিবিরের কম্ম নয়। কারণ, সেই দলের কোনও নেতাই ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে আসেননি। তাই তাঁদের নবীন বরণের অনুষ্ঠানে বক্তা হিসেবে ফ্যাশন ডিজাইনারকে আমন্ত্রণ করতে হয়। ইউনিয়ন রুমে হামলা চালানোর জন্য বাইরে থেকে লোক আনতে হয়। লিখেছেন শৌভিক ঘোষাল।
যাদবপুরে বাবুল সুপ্রিয়কে হেনস্থা। তারপর থেকে সোশ্যাল সাইটে নানা গুজব ছড়িয়ে যাচ্ছে। মহম্মদ সেলিমও কিনা সেই গুজবের শিকার! তিনিও গুজবের ওপর ভিত্তি করে অবলীলায় টুইট করে বসলেন। এই আচরণ কি তাঁকে মানায়! ওপেন ফোরামে লিখেছেন সব্যসাচী কুণ্ডু।
বাম নেতৃত্ব নিন্দা করেছেন। কিন্তু কোথাও একটা প্রচ্ছন্ন সমর্থনও কারও কারও গলায় শোনা যাচ্ছে। যেটা নিন্দার যোগ্য, সেটাকে দ্ব্যর্থহীনভাষায় নিন্দা করতে বাধা কোথায়? যদি জোর গলায় বলা যেত, আন্দোলনের নামে, বিক্ষোভের নামে যেভাবে হেনস্থা করা হয়েছে, তা আমরা কখনই সমর্থন করছি না, তাহলে মানুষের কাছে সঠিক বার্তা যেত।
মহারাষ্ট্রে নাকি সরকার নিয়ম চালু করেছে, বাইরের খাবার আনা যাবে। আমাদের রাজ্যে এমন নিয়ম চালু করা যায় না? মাল্টিপ্লেক্স বেশি দামে খাবার বিক্রি করতেই পারে। কিন্তু বাইরের খাবার নিয়ে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হোক।লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।
শুরু হচ্ছে নতুন বিভাগ— আমার প্রিয় ছবি। আপনার প্রিয় ছবি নিয়ে লিখবেন আপনি। সেই ছবি সাতের দশকের হতে পারে, নয়ের দশকের হতে পারে। কয়েক বছর আগে মুক্তি পাওয়া ছবিও হতে পারে। সেইসব ছবিকে নিয়ে আপনার নস্টালজিয়ার কথাও উঠে আসতে পারে।