নীতা কিন্তু এখনও বেঁচে আছে

নীতা মারা গিয়েছিল। কিন্তু সেই সংলাপটা দিব্যি বেঁচে আছে। কালজয়ী হয়ে বেঁচে আছে ‘মেঘে ঢাকা তারা’। বাংলা ছবির সেই অমর সৃষ্টির দিকেই আলো ফেললেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।

বেঙ্গল টাইমস// ‌ঝটিকা সফর

ই–‌ম্যাগাজিনে অবশ্যই গুরুত্ব পাবে ভ্রমণ। প্রতি সংখ্যাতেই একটি বা দুটি ভ্রমণ সংক্রান্ত লেখাকে জায়গা দেওয়া হবে। আপনারাও লিখতে পারেন আপনাদের বেড়ানোর অনুভূতি। শুধু কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন মার্কা গড়পড়তা ভ্রমণ নয়। আপনার অনুভূতিটাও উঠে আসুক।

‌কারখানায় বাতি জ্বললে কে আমার পুজো করবে!‌

ঘুড়িতে ছেয়ে যেত আকাশ। মাইকে বেজে ওঠে পছন্দের গান। আস্তে আস্তে সবই অতীত হয়ে যাবে। শিল্প না থাকলে, কারখানা না থাকলে, বিশ্বকর্মারও যে গুরুত্ব থাকে না। পরমপিতা ব্রহ্মার কাছে এমনই আশঙ্কা জানালেন স্বয়ং বিশ্বকর্মা। লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।

তিনি যে অপরাধী, রাজীব বিশ্বাস করিয়েই ছাড়বেন

তিনি কী কী প্রমাণ লোপাট করেছেন, তা প্রমাণসাপেক্ষ। কিন্তু তিনি যে এই কাজটি করতেই পারেন, তাঁর গত কয়েকদিনের আচরণ তা আরও পরিষ্কার করে দিল। আদালতের বিচার প্রক্রিয়া অনন্তকাল ধরেই চলবে। কিন্তু তিনি যে সত্যিই অপরাধী, ক্রমশ এই ধারনা সকলের মনে আরও বদ্ধমূল হচ্ছে। আর এই ধারনা বদ্ধমূল হওয়ার পেছনে সবথেকে বেশি দায়ী রাজীব নিজেই।

বৈঠক রুদ্ধদ্বার হলে সংশয় তো হবেই

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক। অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ঘটনা। তবু সংশয় তৈরি হয়, কারণ এই সংশয় মুখ্যমন্ত্রী নিজেই তৈরি করেছেন। এরপর যদি রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়, যদি সিবিআই নামক যন্ত্রটি আবার শীতঘুমে চলে যায়, তখন সেই সংশয় বিশ্বাসে বদলে যাবে।

ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকায় সুচিত্রা ছাড়া কাকেই বা মানাত!‌

কাকে মানাবে ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকায়? মুম্বইয়ে তখন অভিনেত্রীর অভাব নেই। একের পর এক গ্ল্যামারাস মুখ। তবু গুলজারকে কিনা ছুটে আসতে হয়েছিল কলকাতায়!

মহালয়া থেকে বেঙ্গল টাইমসের ই ম্যাগাজিন

মহালয়া থেকে বেঙ্গল টাইমসে আসছে নতুন মাত্রা। ওয়েবসাইটে নানা আকর্ষণীয় ফিচারের পাশাপাশি আসছে নতুন ই ম্যাগাজিন। আপাতত মাসে দুবার। সামনের বছর থেকে মাসে চারবার, অর্থাৎ প্রতি সপ্তাহে।

সিরিয়াল বন্ধ করুন, দেখবেন ঝগড়াও থেমে গেছে

রোজ ঝগড়া লেগেই আছে। কখনও প্রকাশ্যে। আবার কখনও ঠান্ডা যুদ্ধ। প্রায় সব পরিবারেই এটা চেনা ছবি। সিরিয়াল দেখা বন্ধ করুন। দেখবেন, অনেক ঝগড়া থেমে গেছে। লিখেছেন স্নেহা সেন।

শ্রীকান্তর পঞ্চম খণ্ড কেন যে লিখলেন না!‌

তখন সিরিয়াল ছিল না। বই ছিল। খিড়কি থেকে সিংহদুয়ারের চৌহদ্দিতে আটকে থাকা মা–কাকিমাদের কাছে সেটাই ছিল অক্সিজেন। অলস দুপুরে মা–‌কাকিমা আপনার লেখা নিয়েই আলোচনা করেছে। তর্ক করেছে। বাঙালির চিরাচরিত পিএনপিসি!‌ তাও সেই আপনার লেখা নিয়েই। লিখেছেন অন্তরা চৌধুরি।

রবিবারের অণু গল্প: বাটিচচ্চড়ি

বেঙ্গল টাইমসে জমজমাট অণু গল্পের আসর। গল্পও আছে, আবার বেড়ানোর আমেজও আছে। একদিকে শিলং–‌চেরাপুঞ্জি। অন্যদিকে ঝিঙ্গার বাটিচচ্চড়ি। ভাষা বিভ্রাটে অন্য আরও মজাদার। লিখেছেন শর্মিলা চন্দ।