গ্রামে রাত কাটানো ব্যুমেরাং হতেই পারে

গ্রামে গিয়ে রাত কাটানোর একটা হিড়িক পড়ে গেছে। যেন বিধায়ক বা মন্ত্রী রাতে গেলেই সব ক্ষোভ প্রশমিত হয়ে যাবে। বরং, উল্টোটা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কারণ, গ্রামে গেলেও তাঁকে ঘিরে থাকবেন পঞ্চায়েতের মাতব্বর অথবা ব্লকের ঠিকাদার। এঁদের বৃত্ত ভেদ করে সাধারণ মানুষ কাছে আসতেই পারবেন না। নানা অপকর্মের কথাও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগবে না। রাত জাগার এই কর্মসূচি ব্যুমেরাং হয়ে উঠতেই পারে। ওপেন ফোরামে লিখেছেন বিপ্লব মিশ্র।

বাড়ির ড্রয়িংরুম থেকে রবি ঠাকুরের গানকে এনেছিলেন পুজো প্যান্ডেলে

শুরুতে অনেকেই নাক সিঁটকেছিলেন। কিন্তু সত্যজিৎ রায় রবীন্দ্রনাথের গানে খালি গলার কিশোরকে ব্যবহার করার সাহস দেখিয়েছিলেন। আটের দশকে এল বেসিক অ্যালবাম। রবি ঠাকুরের গান বাড়ির ড্রয়িংরুম থেকে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে নিয়ে গিয়েছিলেন কিশোর কুমার। তাঁর কণ্ঠেই ‘‌অরাবীন্দ্রিক’‌দের কাছে অমরত্ব পেয়েছে রবীন্দ্রসঙ্গীত। জন্মদিনে কিশোর কুমারকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানালন কুণাল দাশগুপ্ত।

একই গান, টেক্কা দিয়ে গেছেন অন্যদের

একই গান। কিশোর গেয়েছেন, অন্যরাও গেয়েছেন। কিন্তু রফি, লতা বা আশা নয়, মহাকালের বিচারে শেষমেষ থেকে গেছে কিশোরের গানটাই। মানুষ ‘অশিক্ষিত’ গায়কের গানকেই বুকে ঠাঁই দিয়েছেন। এমনই অনেক গানের কথা তুলে ধরলেন কুণাল দাশগুপ্ত।

জিন্দেগি কা সফর

ইচ্ছে ছিল, কিশোর কুমারকে নিয়ে তথ্যচিত্র বানানোর। কিন্তু কিশোরের কিছুতেই সময় হচ্ছিল না। ফলে, বারবার পিছিয়ে যেতে হচ্ছিল সন্দীপ রায়কে। কিশোরের মৃত্যুর পর সেই কাজে নেমে পড়লেন। ছবির নাম ‘জিন্দেগি কা সফর’। তুলে আনলেন অন্য এক কিশোরকে। সন্দীপের ক্যামেরার সামনে দিকপালরা কে কী বলেছিলেন, একবার শুনে নেওয়া যাক। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।

রাষ্ট্রের কাছে ব্রাত্যজন, তবু সঙ্গীত রুদ্ধ হয়নি

কখনও ক্ষমতার চোখরাঙানিকে পরোয়া করেননি। তাই রাষ্ট্রও মুখ ফিরিয়েই থেকেছে। জনতার হৃদয়ে, তবু রাষ্ট্রের কাছে তিনি যেন ব্রাত্যজন। তবে রুদ্ধসঙ্গীত নয়। গলা ছেড়েই গান গেয়েছেন। জোটেনি পদ্মশ্রীও। তাতে কী? মহাকালের বিচারে কে জয়ী ? লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।।