কোনও বুকিং ছাড়াই হাজির সেই পাহাড়ি গ্রামে

সবমিলিয়ে দুদিনের ট্যুরটা মন্দ হয়নি। মাঝে মাঝে রোদ। মাঝে মাঝে বৃষ্টি। গ্রাম্য কিছু দোকান। ইচ্ছেমতো মোমো, সিঙ্গাড়া খাওয়াই যায়। কতরকম ফলের গাছ। গোটা গ্রামটাই যেন নিজেদের গ্রাম। যেন যার ঘরে যখন খুশি ঢুকে পড়া যায়। ইচ্ছে হল, একজনের বাড়িতে চা খাব। এক আন্টিকে বলামাত্রই হাসিমুখে রাজি। তিনি চা করে আনলেন। চা–‌টা যে দারুণ এমন নয়। কিন্তু ওই আতিথেয়তা!‌ সত্যিই তুলনা হয় না। মানুষগুলো কত সহজ–‌সরল। একবার ভাবুন তো বেহালায় বা বরানগরে কোনও বাড়িতে গিয়ে আপনি চা খেতে চাইছেন। ইভটিজার বা চোর ভেবে গণপিটুনিও জুটে যেতে পারে।

শারদ সংকলনঃ লেখা পাঠিয়ে রাখুন

গত বছরের মতো এবারও। বেঙ্গল টাইমসের শারদ সংকলন। প্রকাশিত হবে পুজোর অনেক আগেই।এখন থেকেই তার প্রস্তুতি। থাকবে অণু উপন্যাস, গল্প, অণু গল্প, ফিচার। সিনেমা, ভ্রমণ, খেলা নিয়েও থাকবে আকর্ষণীয় প্রতিবেদন।

সারি সারি তারা নেমে আসে পায়ের নিচে

সামনে শুধু পাহাড়ের সারি। নাম না জানা সব জনপদ। সন্ধে নেমে আসছে। শহরের সব ক্লান্তি, সব অবসাদ যেন নিমেশে দূর হয়ে যায়। মনে হবে, একেবারেই অন্য এক জগতে চলে এসেছেন। অচেনা সেই সব জনপদে একটু একটু করে জ্বলে উঠছে আলো। মনে হবে, আপনার পায়ের তলায় যেন হাজার হাজার তারা নেমে এসেছে। বৃষ্টিভেজা পাহাড় ধরা দেবে আরও মোহময়ী চেহারায়। লিখেছেন অভিরূপ দাস।