পুজো অনুদানের বদলে পার্শ্বশিক্ষকদের মাইনে বাড়ানোই যেত

পার্শ্বশিক্ষকদের যদি মাসে ২ হাজার টাকা করে মাইনে বাড়ানো যেত, তাহলে এক মাসের খরচ হত পাঁচ কোটি। এক বছরের খরচ ষাট কোটি। অর্থাৎ, তিনদিনের হুল্লোড় করার খরচ বাঁচাতে পারলে সেই টাকায় সবাইকার ২ হাজারের বেশি মাইনে বাড়ানো সম্ভব। এবং, ওই টাকায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে মাইনে দেওয়া যেত। কোনটা বেশি জরুরি? লিখেছেন হেমন্ত রায়।

গণপিটুনি! আইনের পেছনে অন্য উদ্দেশ্য নেই তো!

গণপিটুনি রুখতে বিধানসভায় বিল এল। কিন্তু তার জবাবি ভাষণে চিটফান্ড, সিপিএম, সিবিআই যা পারলেন, তাই বলে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। গণপিটুনির সঙ্গে চিটফান্ডের কী সম্পর্ক! আইন নিয়েও নানা সংশয়।এই আইনকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কাজে লাগানো হবে না তো! ওপেন ফোরামে লিখেছেন উত্তম জানা।

স্মৃতির সরণি বেয়ে….

নিজের মধ্যে পুষে রাখা জড়তার প্রাচীর ভেঙে ফেলুন। আপনার সযত্নে লুকিয়ে রাখা স্মৃতি ভাগ করে নিন অন্যদের সঙ্গেও। তবে একটা কথা মাথায় রাখা ভাল, কারও বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ বা কুৎসা না করাই ভাল। ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে দূরে থাকুন। খারাপ স্মৃতি তো সবারই থাকে। সেই কাদা ঘেঁটে, অন্যকে দোষারোপ করে লাভ কী? আমরা না হয় ভাল স্মৃতিগুলোকে নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করলাম। বেঙ্গল টাইমসের পাতায় সেই সুখস্মৃতি ভিড় করুক।

সেই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়

এত অতিথির সমাগম। যেন চাঁদের হাট। কে নেই সেখানে ! খেলা থেকে গান, সিনেমা থেকে সাহিত্য, সব জগতের দিকপালরাই হাজির। কাকে ছেড়ে কার দিকে তাকাব ? কার দিকে আবার ! অনেক তারার মাঝে ধ্রুব তারা তো একজনই। লিখেছেন অভিরূপ অধিকারী।।

সিরিয়ালের থেকেও ভয়ঙ্কর এই অফবিট ২৪

আর এই ডাক্তাগুলোও হয়েছে সেই রকম। তা বলি, হ্যাঁ বাছা। এত সেজেগুজে এসে ফ্রি তে যে এত টিপস দিয়ে যাচ্ছো, তার সাইড এফেক্টটা বুঝলে না!‌ হঠাৎ করে মানুষ যদি এত স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে ওঠে, তোমাদের কাছে তো কেউ যাবে না। তোমার অমন সুন্দর সাজানো চেম্বারে বসে মাছি তাড়াতে তোমার ভাল লাগবে?‌ অবাক পৃথিবী।

টাকার হাতছানি থেকে রেহাই দিন রামকৃষ্ণকে

রামকৃষ্ণ যদি চাইতেন, সামান্যতম ইচ্ছেও প্রকাশ করতেন, সেই যুগে তাঁকে সোনায় মুড়ে দেওয়ার জন্য প্রচুর মানুষ এগিয়ে আসতেন। এসেও ছিলেন। সেই ‘লোভ’-টাকে বর্জন করতে পেরেছেন বলেই আজ তিনি ঠাকুর রামকৃষ্ণ।সেই তাঁর ঘরেই কিনা, এত টাকা-পয়সার গন্ধ? খাট ঘিরে ওই দান বাক্সগুলোকে দেখে মনে হচ্ছিল, ঠাকুর যেন কয়েদখানায় বন্দী! লিখেছেন তপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

‌শুরুতেই প্রশ্নের মুখে কলকাতার ‘‌জে’‌ লিগ

এঁকে বেঁকে যাওয়া সেই সর্পিল লাইন আর নেই। ময়দান থেকে যুবভারতীতে ডার্বি চলে যাওয়ার পর অনেক স্মৃতিই হারিয়ে গেছে। অনলাইনে নাকি ডার্বির টিকিট দেওয়া হচ্ছে। আধুনিকতা আসুক, আপত্তি নেই। কিন্তু আই এস এল আর কলকাতা লিগের চরিত্র যে এক নয়, তা কি আই এফ এ-র নতুন সচিব বোঝেন? সব টিকিট অনলাইনে ফুরিয়ে গেলে এই ম্যাচের আসল দর্শকরা বঞ্চিত হবেন না তো? লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।।

অনুমতি ছাড়া যেতে পারবেন না টাইগার হিলে

এবার থেকে আর ইচ্ছে হলেই টাইগার হিলে যাওয়া যাবে না। টাইগার হিলের ভিড়ে রাশ টানতে চাইছে প্রশাসন। সকালের দিকে তিনশোর বেশি গাড়িকে অনুমতি দেওয়া হবে না। আগাম অনুমতি নিতে হবে।

বাংলায় পোস্ত চাষ হলে বাধা কোথায়?‌

পোস্ত তো আকাশ থেকে পড়ে না। কোনও কারখানাতেও হয় না। তার মানে, কোথাও না কোথাও চাষ হয়। তাহলে, সেখানে চাষ হওয়া আইনি, অথচ আমাদের রাজ্যে বেআইনি।এমনটা কেন হবে? লিখেছেন সজল মুখার্জি।

এই অতিসক্রিয়তা স্পিকার পদকে আরও হাস্যকর করে তুলবে

একের পর এক সদস্য দলবদল করেছেন। বিরোধী দলের টিকিটে জিতে শাসকদলের পতাকা তুলে নিয়েছেন। স্পিকার মশাই নীরব ছিলেন। হঠাৎ, উল্টো খেলা শুরু হতেই তিনি অতি সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। সেদিন নিষ্ক্রিয় ছিলেন দলের ভয়ে, আজ অতি সক্রিয় হয়ে উঠছেন, তাও দলের নির্দেশে। স্পিকার পদের মর্যাদা আর কত নিচে নামাবেন!‌