তাঁর মৃত্যু প্রায় চার বছর হতে চলল। স্মৃতির অ্যালবামে সহজেই ধুলো জমে যায়। আমরাও ভুলেই গেছি হাসিম আব্দুল হালিমকে। আজ তাঁর জন্মদিন। কেমন স্পিকার ছিলেন হালিম সাহেব? বেসুরো এই লেখার মধ্যে দিয়ে একটু ফিরে দেখা। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
বাংলা থেকে মাত্র দুজন মন্ত্রী! তাও আবার প্রতিমন্ত্রী! বাংলার বিজেপি নেতা কর্মীদের অভিমান হওয়ারই কথা। সেই ক্ষতে হয়ত কিছুটা প্রলেপ পড়তে পারে। লোকসভায় স্পিকার করা হতে পারে সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়াকে।
বিধানসভার লবিতে হঠাৎ দেখা দিলীপ ঘোষের সঙ্গে। স্বাভাবিক সৌজন্য দেখিয়ে জয়ের জন্য অভিনন্দন জানালেন ভিক্টর। লবিতেই টুকটাক আড্ডা। ব্যাস, অমনি গুজব ছড়িয়ে গেল, ভিক্টর নাকি বিজেপিতে যাচ্ছেন। অপরিণত সাংবাদিকতা কোন স্তরে নামতে পারে! আর সোশ্যাল মিডিয়ায় তো সবাই সবজান্তা। দলবদলের আলোচনা কখনও বিধানসভার লবিতে, সবার সামনে হয়!
এতদিনে তলব করা হল ‘কীর্তিমান’ আই পি এস মির্জাকে। ডাকা হল, তবে বড্ড দেরি হয়ে গেল। নারদা কাণ্ডে যিনি মূল অভিযুক্ত, তাঁকে ডাকতে তিন বছর লাগিয়ে দিল সিবিআই? আগে তো এই সিবিআই কর্তাদের জেরা করা উচিত। এতদিন কাদের নির্দেশে গুটিয়ে ছিলেন? এতদিন ধরে তদন্তের নামে কী অশ্বডিম্ব প্রসব করলেন? লিখেছেন ধীমান সাহা।