সিকিমের ব্র‌্যান্ড অ্যাম্বাসাডর রহমান!‌ বাইচুং নন কেন?‌

সিকিমের ব্র‌্যান্ড অ্যাম্বাসাডর এ আর রহমান!‌ কোন যুক্তিতে?‌ কেন বাইচুংকে সামনে আনা যেত না?‌ আমাদের রাজ্যেও সৌরভের বদলে ব্র‌্যান্ড অ্যাম্বাসাডর শাহরুখ। তাঁর কতটুকু ভূমিকা?‌ভিনরাজ্যের লোকদের নিয়ে মাতামাতি করতে গিয়ে ভূমিপুত্রদের উপেক্ষা। এটাই ট্র‌্যাডিশন। যে সহজ সত্যিটা ঝাড়খণ্ড বোঝে, সেটা বাংলা বা সিকিম বোঝে না!‌

সেলফিতে লাইক মারা বন্ধ করুন

বোকা বোকা সেলফি দেখলে লাইক মারা বন্ধ করুন। ওই লাইকগুলোই তাদের আরও বোকা বানিয়ে দিচ্ছে। যদি আপনি লাইক মেরে থাকেন, তাহলে জানবেন, সেই বোকামির ভাগীদার আপনিও। লিখেছেন তৃষাণ সেনগুপ্ত।।

বইমেলা করুণাময়ীতে!‌ কে এই সিদ্ধান্ত নিলেন?‌

বইমেলার ভীড়কে করুণাময়ী সামাল দিতে পারবে?‌ একেবারেই ভরসা হচ্ছে না। চূড়ান্ত দুর্ভোগ অপেক্ষা করছে বইপ্রেমীদের জন্য। এমনই আশঙ্কা মেলে ধরলেন সবুজ সরকার।।

নতুন নতুন জায়গা খুঁজে বের করুন

একটা দার্জিলিংকে ভাঙিয়ে আমরা আর কতদিন খাব?‌ আরও ছোট ছোট গ্রামকে পর্যটন কেন্দ্রের চেহারা দিতে হবে। এই বছরের মধ্যে এমন দশটি জায়গা খুঁজে বের করা হোক। তারপর শুরু হোক জোরদার প্রচার। পুজোর আগেই বাঙালি যেন সেইসব নতুন ঠিকানায় যেতে পারে। লিখেছেন শুভজিৎ বোস।।

ঘরে বসেই বাঙালি খানা

গোটা কলকাতাজুড়ে এবার অভিনব আয়োজন। ঘরে ঘরে সুস্বাদু বাঙালি খাবার পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বেঙ্গল ফুড ফ্যাক্টরি। ২৫ ডিসেম্বর পরিষেবা চালু হয়ে গেছে। শহরের নানা প্রান্তে চালু হচ্ছে আউটলেট। আগামী এক–‌দু মাসে আউটলেটের সংখ্যা আরও বাড়বে। নতুন বছরে বাঙালির কাছে অন্যতম সেরা উপহার।

ভুটিয়া কোথায়, এ তো লুধিয়ানা মার্কেট

ভুটানি বস্ত্র থেকে সময়ের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে ওরা এনেছেন লুধিয়ানার জিনিস। এবার নতুন চ্যালেঞ্জকে সামাল দিতে ওঁদেরও হয়ত ঝুঁকতে হবে অনলাইনে। তখন এই ভুটিয়া মার্কেট থাকবে তো ?

ময়ূরাক্ষীর জন্য জাতীয় পুরস্কার পাওয়া উচিত সৌমিত্রবাবুর

আশি পেরিয়ে এসেও তিনি সুস্থ, সতেজ। স্মৃতিতে এতটুকুও মরচে পড়েনি। প্রতিটি ছোট ছোট ঘটনা, অনুভূতি যেন এখনও জীবন্ত। এই বয়সে এসেও শুধু অভিনয় করে যাচ্ছেন, তাই নয়। প্রাণ ঢেলে অভিনয় করছেন। প্রতিটি চরিত্রের মধ্যে প্রাণ সঞ্চার করছেন। বয়স হলেই মানুষ ফুরিয়ে যায় না, তাঁর আরও অনেক কিছু দেওয়ার থাকে। সৌমিত্রবাবু যেন সেটাই বারবার বুঝিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন। লিখেছেন জ্যোতির্ময় রায়।।

সবুজ বনানীর কোলে অযোধ্যা পাহাড়

খুব দুর্গম নয়, খরচও তেমন নেই। পুরুলিয়া থেকে অনায়াসে বাসে পৌঁছে যেতে পারেন অযোধ্যা পাহাড়ে। একসময় মাওবাদী আতঙ্ক ছিল, এখন তাও নেই। শীতের রোদ গায়ে মেখে ঘুরে আসুন। হদিশ দিলেন শান্তনু ব্যানার্জি।।

হাতির সঙ্গে ভুলেও সেলফি তুলতে যাবেন না

রজত বসু জঙ্গলের রাজা কে?‌ আমাদের এসব জঙ্গলে সিংহ দেখা যায় না। সুন্দরবনে কয়েকটা রয়্যাল বেঙ্গল আর ডুয়ার্সে কিছু চিতাবাঘ— এই নিয়ে আমাদের বাঘ সাম্রাজ্য। কিন্তু দিন দিন হাতি মশাই...

দার্জিলিংয়ের তাপমাত্রা জানে না, আলিপুরে বসে বাতেলা দিচ্ছে

রোজ নাকি শীতলতম দিন। আরে বাবা, একটা বছরে কটা শীতলতম দিন হয়?‌ অথচ, দার্জিলিংয়ের তাপমাত্রা কত, জিজ্ঞেস করুন। আবহাওয়া দপ্তরই জানে না। এই নিয়ে আবহাওয়া অফিসকে একহাত নিলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।