নতুন বছরে প্রচুর পড়বেন ঋতুপর্ণা!
হাতে অনেক ছবি। তবে এখন তিনি নাকি ‘না’ বলতে শিখেছেন। তাই যেমন তেমন ছবি আর নেবেন না। নতুন বছরে লক্ষ্য কী? ঋতুপর্ণা নাকি প্রচুর পড়াশোনা করতে চান? কেন? বেঙ্গল টাইমসের প্রতিবেদন।।
হাতে অনেক ছবি। তবে এখন তিনি নাকি ‘না’ বলতে শিখেছেন। তাই যেমন তেমন ছবি আর নেবেন না। নতুন বছরে লক্ষ্য কী? ঋতুপর্ণা নাকি প্রচুর পড়াশোনা করতে চান? কেন? বেঙ্গল টাইমসের প্রতিবেদন।।
তিনি কোনও ফরেস্ট রেঞ্জার বা বন দপ্তরের কোনও কর্মী নন। গাছের উপরেই তাঁর সংসার। কারও কাছে তিনি গাছবাবা। কারও কাছে বেতাল বাবা। এইসব নামগুলো এতটাই জনপ্রিয়, তার আড়ালে আসল নামটাই হারিয়ে গেছে। এমনই একজনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন আরণ্যক ঘোষ।।
মামলাবাজদের কি মামলা করা ছাড়া কোনও কাজ নেই? বাঙালি পর্যটক ডুয়ার্সে বেড়াতে গেলে এদের এত গাত্রদাহ কেন? এরা কি সত্যিই পরিবেশকে ভালবাসেন? লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
বেড়াতে যেতে কে না ভালবাসে! কিন্তু গিয়ে নানা সমস্যায় পড়তে হয়। কারণ, পরিকল্পনার অভাব। অথচ, একটু ভাবনা–চিন্তা করে গেলে বেনানোর যথার্থ আনন্দ পেতে পারেন। খরচও নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই থাকবে। এমনই কিছু পরামর্শ তুলে ধরলেন সন্দীপ লায়েক।।
যাঁরা সচেতন মানুষ, এখনও সময় আছে, বুঝুন। আপনার পরিবারের শান্তি বজায় রাখতে গেলে এইসব সিরিয়াল থেকে বাড়ির মেয়েদের দূরে রাখতেই হবে। নইলে অশান্তি, কলহ থেকে মুক্তি নেই।বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদন।
এই ঠান্ডায় স্নান! পাগল নাকি? রবীন্দ্রনাথ থেকে তৃণমূল। স্নান সম্পর্কে কার কী মতবাদ? তারই এক কাল্পনিক কোলাজ।
(আজ এক মহান কবি ডিলিট পেলেন। ঠিক দু’বছর আগে। এক বঙ্গীয় কবিকে ডিলিট দিয়েছিল উত্তরবঙ্গের এক বিশ্ববিদ্যালয়। সেদিন তাঁকে একটি মানপত্র দেওয়া হয়েছিল বেঙ্গল টাইমসের পক্ষ থেকে। পাঠকদের দাবিতে তা পুনরায় প্রকাশ করা হল। দেখুন তো, সেই কবিকে চিনতে পারেন কিনা। )
ফেসবুক নাকি আধার লিঙ্ক চাইছে। ভাল কথা। আরও নিষেধাজ্ঞা আসুক। রাত দশটার পর বন্ধ হয়ে যাক। প্রতিবেশী বাংলাদেশ যদি পারে, আমরা পারব না কেন? লিখেছেন নিবেদিতা মান্না।
রিঙ্গোকে কোথায় আর খুঁজে বেড়াব! রাগ হলে ইদানীং সব বাঙালি যা করে, আমিও বরং, তাই করি। বেঙ্গল টাইমসে লিখব, আর ফেবুতে পোস্টিয়ে দেব। তারপর বুঝবি ঠেলা। রিঙ্গো, চপ তেলেভাজার দোকান কর, সিন্ডিকেট কর, যা খুশি কর। দোহাই, আর ছবি বানানোর চেষ্টা করিস না। রে ছবির রিভিউ লিখলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।।
আমি–আপনি বাইচুংকে যতটা চিনি, পবন চামলিং তার থেকে ঢের ভাল চেনেন। তাই তিনি যা করেছেন, ঠিকই করেছেন। এমন সুবিধাবাদী লোককে রাজ্যের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর না করাই ভাল। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।