সেই রেডিওটা আজও আছে। ধুলো ঝেড়ে আর নামানো হয় না। আর ব্যাটারি ভরে প্রাণসঞ্চার করা হয় না। না বোঝা সেই মহালয়ার অনুভূতিটাও একটু একটু করে ফিকে হয়ে আসছে। ফেলে আসা সেইসব শরৎ–শিউলি ভোরের নস্টালজিয়া। উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।
এই কথোপকথন ফাঁস হলে কার ক্ষতি? ম্যাথু যদি ভিডিও প্রকাশ করার জন্য দু কোটি চেয়ে থাকেন, তাহলে সেই ভিডিও দশগুণ দাম দিয়ে তৃণমূল কিনে নিতে পারে। দলের বদনাম এড়াতে কুড়ি কোটি কোনও ব্যাপারই নয়। তৃণমূল চুপি চুপি দিব্যি রফা করে নিতে পারত। ভিডিও নিয়ে এত ঢাকঢোল পেটানোর দরকার হত না। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।