এসেছিল রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রস্তাব

ছিয়ানব্বইয়ে জ্যোতি বসুর কাছে এসেছিল প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব। ফিরিয়ে দিয়েছিল সিপিএম। একইরকমভাবে, ২০০৭ এ সোমনাথ চ্যাটার্জির কাছে এসেছিল রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রস্তাব। দল রাজি হলে তিনিই হতে পারতেন প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রপতি। লিখেছেন বিপ্লব মিশ্র।।

তাঁর প্রতিবাদী কণ্ঠের কাছে গান স্যালুট বড়ই ফিকে‌

কদিন আগেও পঞ্চায়েত ভোটের প্রহসন নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন। যখনই সংকট এসেছে, তাঁর প্রতিবাদী কণ্ঠ বাংলার বিবেক হয়ে উঠে এসেছে। যতই হাইজ্যাক হোক, যতই গান স্যালুট হোক, সেই প্রতিবাদী কণ্ঠের কাছে সবকিছুই ম্লান। তিনি কাদের পছন্দ করতেন, কাদের করতেন না, সেটা তাঁর ধবধবে ধুতি–‌পাঞ্জাবির মতোই পরিষ্কার। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

দলহীন সোমনাথের বিরুদ্ধেও নালিশ করতে হল!

আজ ঘটা করে তাঁকে গান স্যালুট দেওয়া হল। অথচ, বছর তিন আগে এই সোমনাথ চ্যাটার্জির বিরুদ্ধে নালিশ জানাতে নির্বাচন কমিশনে ছুটে ছিলেন পার্থ চ্যাটার্জি, শোভন চ্যাটার্জিরা। সেই সময় বেঙ্গল টাইমসে একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। তার লিঙ্ক দেওয়া হল। পাঠকেরা চাইলে পড়তে পারেন।

প্রকাশ–‌বৃন্দা সংবাদ

তিনি ফুল নিয়ে আসতে চান। কিন্তু কী রঙের ফুল দেবেন?‌ লাল না সাদা?‌ প্রাক্তন পার্টিকর্মীর মৃত্যুতে কীই বা বলা যায়!‌ গিন্নির সঙ্গে একটু আলোচনা করে নিচ্ছেন। আর এই মোক্ষম মুহূর্তেই সেখানে পৌঁছে গেলেন রবি কর। শুনে ফেললেন দক্ষিণী দম্পতির কথোপকথন।

স্পিকার পদের উচ্চতা অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছিলেন

সোমনাথবাবু স্পিকার পদের নিরপেক্ষতা রক্ষার জন্যই এই কাজ করেছিলেন। এটি ছিল একান্তই সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা। সেদিন স্পিকার পদের উচ্চতা তিনি অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। ব্যক্তিস্বার্থে নয়, কারণ, একথা অনস্বীকার্য যে, তিনি প্রকাশ কারাতের থেকে কোনও অংশেই কম কমিউনিস্ট ছিলেন না।লিখেছেন ইন্দিরা দাশ।