শুধুই উত্তম ? বাকিরা ? তাঁদের কথা ভুলে যাবেন ?

উত্তম কুমারকে বড় করতে গিয়ে আমরা অহেতুক বাকিদের ছোট করে ফেলি। ভুলে যাই সেই সময়টাকে। প্রত্যেকেই যেন একেকজন দিকপাল। কাকে ছেড়ে কার কথা বলবেন ? অথচ, সেই মানুষগুলো উত্তমের আড়ালেই থেকে যান। সেই পরিমণ্ডলে কারা ছিলেন ? তুলে আনলেন সরল বিশ্বাস।

মহানায়ক, তোমারে সেলাম

প্রায় ৬০ পাতার এই ই-ম্যাগাজিনে রয়েছে মহানায়ককে নিয়ে ১৫ টি লেখা। উত্তমের অভিনয় জীবন, অভিনয়ের বাইরে ব্যক্তিজীবনের নানা দিক উঠে এসেছে এই বিভিন্ন আঙ্গিকের লেখায়। জানতে পারবেন অনেক অজানা কথা।

উত্তম কুমার শেষ, বাংলা ছবিও শেষ

বিতর্কঃ উত্তম কুমার শেষ, বাংলা ছবিও শেষ। পক্ষে-বিপক্ষে বেশ কিছু চিঠি এসেছে। আজ দুটি চিঠি প্রকাশ করা হল। দুটিই ভিনরাজ্য থেকে পাঠানো। আগামী সাতদিনে আরও কিছু লেখা প্রকাশিত হবে। আজ প্রথম কিস্তি।

ফুটবলের লড়াই থাকুক, ইট–‌পাথরের লড়াই থামুক

এই কাণ্ড যারাই করে থাকুক, তাদের সবার আগে ধিক্কার দেওয়া জরুরি। লড়াই হবে মাঠের মধ্যে। বাইরে টিকা–‌টিপ্পনি, যুক্তি–‌পরিসংখ্যানের লড়াই চলুক। কিন্তু এই ইট পাথরের লড়াই বন্ধ হোক। লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।।

এক রাজ্যের তিন নাম!‌ যাক, এবার অন্তত বোধোদয়

বিধানসভায় সেদিনের কার্যবিবরণী খুলে দেখে নিন, সেদিন বামেরা কী বলেছিলেন। তাঁরা সঠিকভাবেই আশঙ্কা করেছিলেন, এইভাবে তিনটি নাম অনুমোদন পেতে পারে না। সরকারকে বারবার সতর্কও করেছিলেন। কে শোনে কার কথা!‌ যাক, দেরিতে হলেও শুভবুদ্ধি এসেছে। স্বাগত, বাংলা। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

‌একান্ত সাক্ষাৎকারে উর্মিমালা বসু

শ্রুতিনাটক বলতেই ভেসে ওঠে দুটো নাম— জগন্নাথ বসু, উর্মিমালা বসু। অনেকে বলেন, শ্রুতিনাটকের উত্তম–‌সুচিত্রা। বাংলায় অনেক জুটির মাঝে আরও একটা স্মরণীয় জুটি। আন্দুলে কথাসরিৎ—এর অনুষ্ঠানে একসঙ্গে পাওয়া গেল সেই জুটিকে। একান্তে পাওয়া গেল উর্মিমালা বসুকেও। কিছুটা ইন্টারভিউ। কিছুটা আড্ডা। বেঙ্গল টাইমসের জন্য সেই অন্তরঙ্গ কথোপকথন তুলে আনলেন সংহিতা বারুই।

উত্তম-সুচিত্রা নয়, সুচিত্রা-উত্তম

আজ ২৪ জুলাই। উত্তম-কুমারের মৃত্যুদিন। উত্তম বলতেই এসে যায় সুচিত্রার কথাও। বাঙালির একটাই জুটি, উত্তম-সুচিত্রা। কিন্তু পোস্টারগুলো ভাল করে লক্ষ্য করেছেন ? শুরুর দিকের কয়েকটি ছবি ছাড়া কোথাও লেখা নেই উত্তর-সুচিত্রা। এর কারণ কী ? জানালেন সংহিতা বারুই।।

আর কলকাতায় ফিরতেই চাননি উত্তম কুমার ?

কলকাতা ছেড়ে বম্বেতে চলে যেতে চেয়েছিলেন উত্তম কুমার? সেখান থেকেই বাংলা ছবি করতে চেয়েছিলেন ? কেন ? এখানে কি এমন ঘটেছিল যে আর বাংলায় ফিরতে চাইছিলেন না ? জানেত হলে পড়ুন।

একটা উত্তম কুমার ছিলেন, তাই উতরে গেছেন

সাফ কথা, উত্তম না থাকলে সুচিত্রা অচল। অথচ হরেক বায়নাক্কা। উত্তমের থেকে বেশি টাকা চাই। পোস্টারে নাম আগে থাকবে। কিন্তু অভিনয়? সত্যিকারের মহানায়িকা হলে, অন্যদের সঙ্গে ছবি হিট হত। যেমন হত উত্তমের। সুচিত্রার অভিনয় জীবনের তিনটে সম্বল। সন্ধ্যার গান, উত্তমের অভিনয় আর ঘাড় ঘুরিয়ে চোখ টেরিয়ে তাকানো। নন্দ ঘোষের শিকার এবার সুচিত্রা সেন।

ওঁদের প্রেরণা ওঁরা নিজেরাই

মাথা নুইয়ে রাখাটাই যখন রাজ্যের দস্তুর, তখন ওঁরা মাথা উঁচু রেখে লড়াই করার সাহস পেলেন কোথায়?‌ ওঁদের প্রেরণা ওঁরা নিজেরাই। কোনও হোর্ডিং থেকে ওঁদের অনুপ্রেরণা ধার নিতে হয়নি। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।