নেতাজি বলতে আমরা চিনে এসেছি একজনকে। বর্তমান প্রজন্ম চিনছে মুলায়ম সিং যাদবকে। অনুরাগীরা ‘নেতাজি’ বলছেন, মুলায়মও দিব্যি উপভোগ করছেন। যাকে তাকে ‘নেতাজি’ বলা যায় না, এই বার্তাটা মুলায়মের কানে পৌঁছে দেওয়া যায় না? নেতাজির জন্মদিনে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদন।।
১৯ জানুয়ারি ছিল সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ৮৪ তম জন্মদিন। অ্যাকাডেমিতে মনোজ্ঞ এক অনুষ্ঠান। সৌমিত্রর মেয়ে পৌলমী তখন একেবারেই ছোট। আউটডোর লোকেশন থেকে দুটি চিঠি লিখেছিলেন মেয়েকে। সেই চিঠি দুটি পাঠ করলেন মেয়ে পৌলমী। বেঙ্গল টাইমসে সেই দুটি চিঠি।
নেতাজি ও হিটলারের সাক্ষাৎ সম্পর্কে একটি কাহিনী প্রচলিত আছে। কতটা সত্যি, কতটা কল্পনা জানা নেই। তবু এটা জানা দরকার। প্রচলিত সেই কাহিনি তুলে ধরা হল বেঙ্গল টাইমসের পাঠকদের জন্য।
যাঁরা গোয়েন্দা ছবি দেখতে যান, তাঁদের ভেতরেও কিন্তু গোয়েন্দা বাস করে। ছোট ছোট অসঙ্গতিগুলো সেই আতসকাচে ধরা পড়ে যায়। তবে মোটের ওপর হতাশ করেনি শবর। ফিল্ম রিভিউ। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।।
একটি চপের দোকান। কত ইতিহাসের নীরব সাক্ষী! এখানেই নিয়মিত চপ, পেঁয়াজি খেয়ে যেতেন নেতাজি। তাই নেতাজির জন্মদিনে এই দোকানে সব কিছু ফ্রি। শতবর্ষের দোরগোড়ায় থাকা সেই দোকানকে নিয়ে লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।
স্বমহিমায় মাঠে নেমে পড়েছেন নন্দ ঘোষ। এতদিন সবাই তাঁর দোষ খুঁজত। এবার তিনি খুঁজে বেড়াচ্ছেন অন্যদের দোষ। সেই তালিকায় কেউ বাদ নেই। না, নেতাজিও না? জন্মদিনে তাঁকেও দু–চার কথা শুনিয়ে দিলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।।
সারা শহরজুড়ে, রাজ্য জুড়ে কয়েক লক্ষ হোর্ডিং ছিল না। কোনও একজনের মুখের বিজ্ঞাপনে শহরের মুখ ঢেকে যায়নি। কোনও প্রচার ছাড়াই যুবভারতী ভরে গেল। অথচ, কাউকে টিকিট না পেয়ে ফিরেও যেতে হয়নি। আসলে, বড় ম্যাচের এমনই মহিমা, এখানে কোনও ‘অনুপ্রেরণা’ দরকার হয় না। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
বড় ম্যাচে অনেক নতুন নায়ক দেখা যায়। সেই নায়ক হয়ে উঠলেন ডিকা। অনেক কোচের নবজন্মও হয়। হ্যাঁ, কোচ হিসেবে শঙ্করলালের যেন নবজন্ম হল।
সবুজ মেরুন ফ্যান ক্লাবের সদস্যদের অভিনব উদ্যোগ। সবাই সোনির মুখোশ পরে মাঠে আসবেন। গ্যালারিতে থাকবেন হাজার হাজার সোনি। এমন দৃশ্য কলকাতা ময়দান কবে দেখেছে! হৃদয় উজাড় করা ভালবাসা কাকে বলে, দেশে ফেরার আগে দেখে যাবেন সোনি।
একদিকে বয়ে চলেছে সুবর্ণরেখা। অন্যদিকে সারি সারি পাহাড়ের মিছিল। তারই মাঝে পেয়ে গেলাম আরণ্যকের সেই দোবরু পান্নাকে।