সত্যি কথা বলতে পারিনি
অনেক না বলা কথা জমে থাকে। অথচ, সেগুলো বলে ফেলতে পারলে নিজেকে অনেকটা হালকা লাগে। অপরাধবোধের বোঝাও কমে যায়। এমনই কিছু স্বীকারোক্তি উঠে আসছে বেঙ্গল টাইমসের পাতায়। পড়ুন, আপনার জীবনেও হয়ত এমন কিছু ঘটে থাকতে পারে।
অনেক না বলা কথা জমে থাকে। অথচ, সেগুলো বলে ফেলতে পারলে নিজেকে অনেকটা হালকা লাগে। অপরাধবোধের বোঝাও কমে যায়। এমনই কিছু স্বীকারোক্তি উঠে আসছে বেঙ্গল টাইমসের পাতায়। পড়ুন, আপনার জীবনেও হয়ত এমন কিছু ঘটে থাকতে পারে।
শুরু হয়েছে নতুন বিভাগ— আমার প্রিয় ছবি। আপনার প্রিয় ছবি নিয়ে লিখবেন আপনি। সেই ছবি সাতের দশকের হতে পারে, নয়ের দশকের হতে পারে। কয়েক বছর আগে মুক্তি পাওয়া ছবিও হতে পারে। সেইসব ছবিকে নিয়ে আপনার নস্টালজিয়ার কথাও উঠে আসতে পারে।
কজন বাঙালি জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি গেছেন? পুরুলিয়া বা কোচবিহার ছেড়ে দিন। যাঁরা কলকাতায় বেড়ে উঠেছেন, তাঁদের মধ্যে কজন? ঠাকুরবাড়ি বলতে জীবনস্মৃতি বা ছেলেবেলায় তেমন আগ্রহ কই? বাঙালির কৌতূহল রবি ঠাকুরের বৌদি পর্যন্ত গিয়েই আটকে যায়। ‘বৌদির সঙ্গে নিশ্চয় কিছু একটা ছিল...।’ একটি বাংলা ছবির নির্মাণ কাহিনি। তুলে ধরলেন সংহিতা বারুই।
ভাগ্যিস ওই ফোনটা বেজে উঠেছিল। ভাগ্যিস, মুম্বইয়ে দাঁড়িয়েও বাংলায় কথা বলেছিলেন নজরুল। তাই গোটা ছবিটাই বদলে গেল। হারানো এক তরুণ খুঁজে পেল নিজের পরিবার। সন্তান–হারা এক মা খুঁজে পেলেন এগারো বছর আগে হারিয়ে যাওয়া ছেলেকে। সুমিত চক্রবর্তীর লেখায় সেই ফিরে পাওয়ার উপাখ্যান।
বইমেলা আছে। অথচ, তুমি থাকবে না? কেন জানি না, এত বছর পরেও মেনে নিতে পারি না। মনে প্রাণে চাই, বইমেলা আবার তোমার বুকেই ফিরে আসুক। আমার মতো অনেকেই হয়ত এমনটাই চায়। বইমেলা ছাড়া তুমিও কি ভাল থাকতে পারো! ফিরে এসো, প্রিয় ময়দান। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
কোনও একদিন একটা ভোটে কোনও একটা বুথের পোলিং এজেন্ট হয়ে কয়েক ঘন্টা পার করে দেখান। কোনও একদিন কোনও একটা ভোটের আগের দিন রাতের বেলা বুথ পাহারা দিন কমরেডদের সঙ্গে। কোনও একদিন কোনও একটা ভোটের আগের দিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে বুথ স্লিপ বিলি করে আসুন.., সেদিন আপনার “দম” বুঝব। লিখেছেন সৌম্য সিনহা।
ইচ্ছেমতো নামবদল যেন একটা ট্রাডিশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই পথেই হেঁটেছিলেন মোদি। এবার তাঁর প্রকল্প বদলে দিলেন মমতা। সস্তা হাততালির মোহ থেকে বেরিয়ে আসা সত্যিই বড় কঠিন। লিখেছেন প্রসূন মিত্র।।
পনেরোই আগস্ট সেই মানুষটা কোত্থাও যাননি। বেলেঘাটার গান্ধী আশ্রমে প্রার্থনা করে গেছেন আর একা একা চরকা কেটেছেন। না, সারাদিন কিছুই মুখে তোলেননি। উৎসব থেকে দূরে, একাকী এক সন্ন্যাসী। লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।।
বইমেলায় চূড়ান্ত ভোগান্তি এবার অনিবার্য। এত মানুষ আসবেন কীভাবে? ফিরে যাবেন কীভাবে? এত বাস রাখার, এত অটো দাঁড়ানোর জায়গা আছে? বইমেলার ভিড় সম্পর্কে বিধাননগরের মেয়র বা পুরমন্ত্রীর কোনও ধারণাই নেই। লিখেছেন বিপ্লব মিশ্র।।