বেড়াতে যেতে কে না ভালবাসে! কিন্তু গিয়ে নানা সমস্যায় পড়তে হয়। কারণ, পরিকল্পনার অভাব। অথচ, একটু ভাবনা–চিন্তা করে গেলে বেনানোর যথার্থ আনন্দ পেতে পারেন। খরচও নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই থাকবে। এমনই কিছু পরামর্শ তুলে ধরলেন সন্দীপ লায়েক।।
শ্যামবাজারের মূর্তিটা আসলে কার? এই সম্পর্কে স্মরণীয় একটি মন্তব্য ছিল সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়ের। নেতাজির জন্মদিনে বেঙ্গল টাইমসের প্রতিবেদনে উঠে এল সেই অজানা মন্তব্য।
নেতাজি বলতে আমরা চিনে এসেছি একজনকে। বর্তমান প্রজন্ম চিনছে মুলায়ম সিং যাদবকে। অনুরাগীরা ‘নেতাজি’ বলছেন, মুলায়মও দিব্যি উপভোগ করছেন। যাকে তাকে ‘নেতাজি’ বলা যায় না, এই বার্তাটা মুলায়মের কানে পৌঁছে দেওয়া যায় না? নেতাজির জন্মদিনে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদন।।
১৯ জানুয়ারি ছিল সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ৮৪ তম জন্মদিন। অ্যাকাডেমিতে মনোজ্ঞ এক অনুষ্ঠান। সৌমিত্রর মেয়ে পৌলমী তখন একেবারেই ছোট। আউটডোর লোকেশন থেকে দুটি চিঠি লিখেছিলেন মেয়েকে। সেই চিঠি দুটি পাঠ করলেন মেয়ে পৌলমী। বেঙ্গল টাইমসে সেই দুটি চিঠি।
নেতাজি ও হিটলারের সাক্ষাৎ সম্পর্কে একটি কাহিনী প্রচলিত আছে। কতটা সত্যি, কতটা কল্পনা জানা নেই। তবু এটা জানা দরকার। প্রচলিত সেই কাহিনি তুলে ধরা হল বেঙ্গল টাইমসের পাঠকদের জন্য।
যাঁরা গোয়েন্দা ছবি দেখতে যান, তাঁদের ভেতরেও কিন্তু গোয়েন্দা বাস করে। ছোট ছোট অসঙ্গতিগুলো সেই আতসকাচে ধরা পড়ে যায়। তবে মোটের ওপর হতাশ করেনি শবর। ফিল্ম রিভিউ। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।।
একটি চপের দোকান। কত ইতিহাসের নীরব সাক্ষী! এখানেই নিয়মিত চপ, পেঁয়াজি খেয়ে যেতেন নেতাজি। তাই নেতাজির জন্মদিনে এই দোকানে সব কিছু ফ্রি। শতবর্ষের দোরগোড়ায় থাকা সেই দোকানকে নিয়ে লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।
স্বমহিমায় মাঠে নেমে পড়েছেন নন্দ ঘোষ। এতদিন সবাই তাঁর দোষ খুঁজত। এবার তিনি খুঁজে বেড়াচ্ছেন অন্যদের দোষ। সেই তালিকায় কেউ বাদ নেই। না, নেতাজিও না? জন্মদিনে তাঁকেও দু–চার কথা শুনিয়ে দিলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।।