‘অ্যামাজন অভিযান’ – একটি রিভিউ

মানুষই সিনেমা বানায় , আর মানুষই দেখে । ভাগ্যিস বাঘ , ভালুক , অজগর , চিতা , বাইসন , গণ্ডার এরা হলে গিয়ে সিনেমা দেখে না । যদি দেখত কি হতো ভাবুন ! আপনার পাশে একটি প্যানথর বসে আছে , আর সে কিসব দেখছে । আপনার সামনের দুটো রো পরেই একটি বিশাল সিংহ বসে বসে কেশর চুলকচ্ছে আর সিনেমা দেখছে । একটা গোটা রো জুড়ে শুয়ে শুয়ে বই দেখছে অ্যানাকোনডা । এঁদের কতটা রাগ ধরতে পারে ‘অ্যামাজন অভিযান’ বা ‘চাঁদের পাহাড়’ দেখে , ভেবেছেন কখনো ! ছবিটি অবশ্যই হলে গিয়ে দেখুন । । লিখেছেন সুমন সরকার।।

সিরিয়াল চলে?‌ এরপরেও শান্তি আছে!‌

ক্রমশ বঙ্গ জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠছে এই বোকা বোকা সিরিয়ালগুলো। রোজ সকাল থেকে কীসের আকর্ষণে টিভির সামনে বসে যায়, বুঝতে চেষ্টা করেছি। কিন্তু যা বুঝেছি, এখান থেকে ভাল শিক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। সারাক্ষণ শুধু কুচুটেপনা।লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।

সবং আর মানসের রইল না!‌

ভোটে কত মার্জিন হবে, সে তো পরের কথা। বিরাট ব্যবধানে জিতলেও সবংকে আর মানস ভুঁইয়ার খাসতালুক বলা যাবে না। মমতা স্তুতি করতে গিয়ে নিজেকে বড় অসহায় করে তুললেন। নিজেই নিজেকে হারিয়ে দিলেন ডাক্তারবাবু। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

সিবিআই তুলে দেওয়া হোক

সিবিআই রেখেই লাভ কী?‌ কোনও তদন্তই তারা ঠিকঠাক করতে পারে না। প্রমাণ জোগাড় করতে পারে না। পাড়ার পাঁচু কনস্টেবল যেটা পারে, সেটাও সিবিআই পারে না। আর তাই কানিমোঝিরা মিষ্টি বিলি করার, মালা গলায় সততার লেকটার দেওয়ার সুযোগ পেয়ে যায়। ওঁদের বিচার পরে হবে, তার আগে সিবিআই নামক প্রতিষ্ঠানটাই তুলে দেওয়া হোক। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

মিশন কাশ্মীর

আশির দশকে প্রথম কলকাতায় আসা। তারপর থেকে প্রতিবছর শীতে তিনি কলকাতার অতিথি। শাল, সোয়েটার নিয়ে ঘুরে বেড়ান পাড়ায় পাড়ায়। কাশ্মীর থেকে আসা আলতাফের বয়ানে এক বিশেষ লেখা।

মুখোশ গ্রামের দীর্ঘশ্বাস

অযোধ্যায় গেলে একবার চড়িদা গ্রাম থেকেও ঘুরে আসুন। এই গ্রামেই তৈরি হয় ছৌ নাচের মুখোশ। হেরিটেজ গ্রাম ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।

এবার নব্বই দশক

বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় ফিচার ছিল আশির দশক। এবার শুরু হয়েছে নব্বইয়ের দশক। রোজ একটি করে লেখা। নানা আঙ্গিক থেকে ফেলে আসা সময়কে ছুঁয়ে দেখার চেষ্টা।।

বিভূতিভূষণকে আর কষ্ট দেবেন না

(‌নন্দ ঘোষের কড়চা। বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ। কয়েকমাস আগে বিভূতিভূষণের জন্মদিনে একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। কেন্দ্রীয় চরিত্রে পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। শহরজুড়ে আমাজন অভিযানের পোস্টার। বাংলার সবথেকে বিগ বাজেটের ছবি মুক্তির আগে সেই লেখাটি আবার ফিরিয়ে আনা হল। )‌

তেরো পার্বণের ইতিকথা

বলতে পারেন কলকাতা দূরদর্শনের প্রথম বাংলা সিরিয়াল কী ? কুইজের চমৎকার একটি প্রশ্ন হতে পারে। যাঁরা সারাক্ষণ সিরিয়ালে ডুবে থাকেন, ইচ্ছেনদী থেকে পটলকুমার গোগ্রাসে গিলতে থাকেন, তাঁদের অনেকেই হয়ত তেরো পার্বনের নাম শোনেননি। কীভাবে তৈরি হল সেই সিরিয়াল? কারা ছিলেন ?