সোনার কেল্লার মতো এই মুকুলও হয়ত আবার ঘরে ফিরবেন

সোনার কেল্লার মুকুল ঘরে ফিরেছিল। যে কোনওদিন এই মুকুলও ঘরে ফিরতেই পারেন। তিনিও পতাকা নিয়ে বলবেন, ‘‌উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে’‌ সামিল হলাম। ছ বছর তো দূরের কথা, দু বছরের মধ্যেই এমনটা ঘটতে পারে। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

সোনার কেল্লা পার্ট টু


(‌বছর দুই আগের কথা। তখনও নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল জনৈক মুকুলকে ঘিরে। সেও যেন সোনার কেল্লার সেই মুকুল। পূর্বজন্মের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। বেঙ্গল টাইমসে লেখা হয়েছিল সোনার কেল্লা পার্ট টু। লিখেছিলেন রবি কর। সেই লেখা আবার প্রকাশিত হল।)‌

ইয়েতির চেয়ে ঢের ভাল ছিল মিশর রহস্য

কাকাবাবুকে অহেতুক অমিতাভ বচ্চন বানানোর চেষ্টা। কোনও দরকার ছিল না। তিনি যেমন, তেমনটাই থাকুন। ইয়েতি অভিযান দেখে নিজের অনুভূতি মেলে ধরলেন গোপাল রায়।।

মুকুল রায়কে দেখে ঋতব্রতরা যদি একটু শিখতেন!‌

দল অনেকেই ছাড়েন। আদর্শের কথাও বলেন। কিন্তু সাংসদ বা বিধায়ক পদটা ছাড়তে বড়ই অনীহা। নানা কুযুক্তি দিয়ে সেটা ঠিক ধরে রাখেন। মিঠুন ব্যতিক্রম। মুকুল রায়ও সম্ভবত সাংসদ পদ ছাড়তে চলেছেন। ঋতব্রতরা যদি একটু শিখতেন!‌ লিখেছেন রজন সেনগুপ্ত।।

না বোঝা সেই মহালয়া

সেই রেডিওটা আজও আছে। ধুলো ঝেড়ে আর নামানো হয় না। আর ব্যাটারি ভরে প্রাণসঞ্চার করা হয় না। না বোঝা সেই মহালয়ার অনুভূতিটাও একটু একটু করে ফিকে হয়ে আসছে। ফেলে আসা সেইসব শরৎ–‌শিউলি ভোরের নস্টালজিয়া। উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।

দাও ফিরে সে ঝাউবন, লহ এ ‘‌উন্নয়ন’‌

উন্নয়নের নামে সব জায়গায় কংক্রিটের মিছিল। কৃত্রিম একটা সৌন্দর্যায়ন হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু হারিয়ে যাচ্ছে ঝাউবন, কাঁকড়া। এতকিছু নিয়ে মিছিল হয়। পরিবেশ বাঁচানোর দাবিতে একটা মোমবাতি মিছিল হতে পারে না?‌ লিখেছেন সন্দীপ লায়েক।।

এতদিন পর সিবিআইয়ের মনে পড়ল!‌

সাড়ে তিন বছর পর সিবিআই বাবুদের মনে হল তদন্তকারি পুলিশ কর্তাদের ডাকা উচিত। যাঁদের শুরুতেই ডাকার কথা, তাঁদের ডাকতে এত দেরি কেন, সহজ বুদ্ধিতে এর ব্যাখ্যা নেই। মাঝে মাঝে মনে হয়, কেলেঙ্কারিকে ধামাচাপা দেওয়ায় সিবিআইয়ের ভূমিকাও কম নেই। এবার বরং তাঁদেরই জেরা করা হোক। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।।

শ্রীকান্তর আরও চারটে খণ্ড কেন যে লিখলেন না!‌

আজ কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্রের জন্মদিন। তাঁর সাহিত্যমূল্য বিচার বা চরিত্রের বিশ্লেষণ নয়। ছোটবেলা থেকে বেড়ে ওঠার নানা বাঁকে কীভাবে সঙ্গী হয়েছে তাঁর লেখা, তা নিয়ে স্মৃতিচারণধর্মী লেখা। লিখেছেন অন্তরা চৌধুরী।

রেজ্জাক মোল্লার না লেখা চিঠি

(‌ঋতব্রতকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্তে সবথেকে তীব্র বিরোধিতা কে করেছিলেন?‌ রেজ্জাক মোল্লা। ধরা যাক, আজ তিনি চিঠি লিখছেন। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে। কী হতে পারত সেই চিঠির বয়ান?‌ কাল্পনিক সেই চিঠি লিখলেন রক্তিম মিত্র)‌

এই ধৃষ্টতার কি কোনও প্রয়োজন ছিল ?

সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি টিভি চ্যানেলে দলের কিছু নেতার প্রতি বিষোদ্গার। একের পর এক “অপ্রিয় সত্য” প্রকাশ করে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করা এবং নিজেকে “বিদ্রোহী” প্রমাণ করার চেষ্টা। সর্বোপরি দলের ভাবমূর্তিকে জনসমক্ষে...