(বছর দুই আগের কথা। তখনও নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল জনৈক মুকুলকে ঘিরে। সেও যেন সোনার কেল্লার সেই মুকুল। পূর্বজন্মের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। বেঙ্গল টাইমসে লেখা হয়েছিল সোনার কেল্লা পার্ট টু। লিখেছিলেন রবি কর। সেই লেখা আবার প্রকাশিত হল।)
কাকাবাবুকে অহেতুক অমিতাভ বচ্চন বানানোর চেষ্টা। কোনও দরকার ছিল না। তিনি যেমন, তেমনটাই থাকুন। ইয়েতি অভিযান দেখে নিজের অনুভূতি মেলে ধরলেন গোপাল রায়।।
দল অনেকেই ছাড়েন। আদর্শের কথাও বলেন। কিন্তু সাংসদ বা বিধায়ক পদটা ছাড়তে বড়ই অনীহা। নানা কুযুক্তি দিয়ে সেটা ঠিক ধরে রাখেন। মিঠুন ব্যতিক্রম। মুকুল রায়ও সম্ভবত সাংসদ পদ ছাড়তে চলেছেন। ঋতব্রতরা যদি একটু শিখতেন! লিখেছেন রজন সেনগুপ্ত।।