দেশের উত্তর-পূর্ব কোণের একটা রাজ্যের কিছু লোক কী যেন বলছে। বেশ কয়েক দিন ধরেই। শুনবেন নাকি একটু কান পেতে? অসীম ব্যস্ততা, ফেসবুক- হোয়াটসঅ্যাপে নিত্য হাজিরা, অ্যামাজনের সেলের মাঝে ১০ টা মিনিট বের করা যায় কি? লিখেছেন রাহুল চক্রবর্তী।।
পাহাড়ের গোপন ডেরা থেকে হুঙ্কার ছেড়েই চলেছেন বিমল গুরুং। ধরা যাক, তিনি বিনয় তামাংকে বার্তা দিতে চান। চিঠি লিখতে চান। কী লিখতেন সেই চিঠিতে। উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে। বিমলের বয়ানে সেই চিঠিই লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
আমাদের স্কুলে প্রতিবছর রি-ইউনিয়ন হয়। প্রতিবছরই যাই, HKS স্যারকে দেখি আর মনের মধ্যে একটা অদ্ভুত অপরাধবোধ ঘুরপাক খায়। কোনও কৃতকর্মের জন্য অপরাধবোধ নয়, কারণ একটু আধটু দুষ্টুমি না করলে ছোটবেলা...
প্রত্যন্ত গ্রামের একটি স্কুল। টেক্কা দিতে পারে শহরের স্কুলগুলিকেও। এমন স্কুলকে যে কেউ ঈর্ষা করতেই পারে। এমন একটি স্কুলকে দেখে আমরা সবাই যদি শিখতে পারতাম! লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।
উত্তম কুমারের জন্মদিন। কী আশ্চর্য, একই দিনে ব্যারেটোরও জন্মদিন। মোহানবাগান জনতার কাছে এই নামটাও কম প্রিয় নয়। জন্মদিনে তাঁকে মুগ্ধতা মাখানো খোলা চিঠি। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।।