গুডবার্ন ওয়ার্ডের আত্মকথা

কোনও এক রাজ্যে, কোনও এক সরকারি হাসপাতালে, গুডবার্ন নামে একটি ওয়ার্ড আছে। সেখানে ভর্তি ছিলেন বদন নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। সম্প্রতি তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। বদনকে হারিয়ে গুডবার্ন ওয়ার্ড কী ভাবছে ? তার বোবা কান্না সেই পথ দিয়ে যেতে যেতে শুনে ফেললেন রবি কর।।

তুঘলকটা কেমন যেন চেনা চেনা

নাটকের কিছুই তিনি বোঝেন না। তবু পাকামি করে নাটক দেখতে চলে যান। ভাবেন, নাটক দেখলে লোকে হয়ত ‘বুদ্ধিজীবী’ বলবে। এবার গেলেন ‘তুঘলক’ নাটক দেখতে। বললেন, সেই তুঘলক নাকি এখনও আছে। আজগুবি এক রিভিউ লিখলেন রবি কর।

মাস্টারমশাই, আপনিও কি কিছুই দেখেননি!

রবি কর কাকে উদ্দেশ্য করে যে লিখব সেটাই বুঝতে পারছি না। কাকে লিখলে ফল হবে? কে নিজেকে সংশোধিত করার চেষ্টা করবে? আর কে আমাকে জগ ছুঁড়ে মারবে? বুঝতে পারছি না।...

আমি মদন বলছি

২৩ জানুয়ারির সারা দেশ যখন নেতাজিকে স্মরণ করছে, তখন মদনবাবুর দিন কাটছে জেলের কক্ষে। কড়া নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে সাংবাদিকরা তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না। যদি, শুধু আজকের দিনটার জন্য সাংবাদিকরা তাঁর কাছে যেতে পারতেন, কী বলতেন তিনি? কীভাবে স্মরণ করতেন নেতাজিকে? নেতাজির সঙ্গে তাঁর নিজের মিল বা অমিল নিয়ে কী বলতেন? অনুমান করলেন রবি কর।