সাতশো পাহাড়ের দেশ তোমাকে দিলাম

সাতশো পাহাড়ের দেশে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দুটোই বড় মনোরম। ওই সানসেট পয়েন্টে গিয়ে মনে হচ্ছিল চেনা পৃথিবী থেকে বহু দূরে কোন এক অচেনা সবুজ দ্বীপে আমরা এসে পড়েছি। ফেরার পথে সেলের গেস্ট হাউস, সরকারি বনবাংলো, মেঘাতুবুরু, স্থানীয় কিরিবুরু বাজার দেখে আমরা ফিরে এলাম।

গা ছমছমে জঙ্গলে বোট সাফারি

এতবার ডুয়ার্সে এসেছি। কিন্তু এমন একটা জায়গায় কেন আসিনি! নিজেদের ওপরই রাগ হল। নৌকোয় বাবুও সঙ্গে ছিল। ভাগ্যিস বাবু সিকিয়াঝোরার প্রস্তাবটা দিল! নইলে তো এবারও আসা হত না। অন্তত আমাদের পরিকল্পনার মাঝে কোথাও ছিল না এই উত্তরের অ্যামাজন। বাবুকে কী ভাষায় ধন্যবাদ জানাব! শব্দভান্ডারের কোনও শব্দই জুৎসই মনে হল না। আমাদের রোমাঞ্চ, আমাদের মুগ্ধতা দেখে যা বোঝার, ও বুঝে নিক।

হাতের কাছেই রহস্যে ঘেরা এক সৈকত

দিঘায় তো অনেকেই গিয়েছেন। মন্দারমণি বা শঙ্করপুরও অচেনা নয়। কিন্তু কাছেই এক অজানা সৈকত, রহস্যে ঘেরা অন্য এক সমুদ্র। ঝাউ আর ক্যাসুরিনার জঙ্গল। সন্ধান দিলেন বৃষ্টি চৌধুরি।।

মন্দারমণিঃ গাড়ি নয়, আসল সমস্যা অন্য জায়গায়

সবার প্রশ্ন, মন্দারমণির সৈকতে কেন গাড়ি নেমেছিল? গাড়ি নামা হয়ত আটকানো যাবে। কিন্তু কেন এইসব দুর্ঘটনা ঘটছে, তা কি তলিয়ে দেখা হচ্ছে ? আসল কারণ কিন্তু আড়ালেই থেকে যাচ্ছে। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

একটু দূরে, মধুপুরে

একটু পড়শি রাজ্যে গেলে কেমন হয়? ঘরের কাছেই তো আছে মধুপুর। কীভাবে যাবেন, কী দেখবেন ? সন্ধান দিলেন শান্তনু ব্যানার্জি। পড়ুন। ইচ্ছে হলে এই শীতেই ঘুরে আসুন।

বড়ন্তি ডাকে

ময়ূখ নস্কর কে ডাকছে আমাকে? ঠুক-ঠুক-ঠুক। দরজায় টোকা পড়ছে খুব আস্তে আস্তে। ঠুক-ঠুক-ঠুক। নিখিলবাবু নাকি? এত রাতে? নাকি রাত শেষ হয়ে গেল? কটা বাজে এখন? নিখিলবাবুকে বলেছিলাম, সূর্য ওঠার আগেই...

অজানা বাড়ি দারিংবাড়ি

কাছেই ওড়িশা। ওড়িশা বলতেই আমরা বুঝি পুরী। আর পুরী মানেই সমুদ্র। এর বাইরে অন্য এক ওড়িশা, যেখানে আছে পাহাড়, জঙ্গল। আছে দারিংবাড়ি, যাকে বলা হয় ওড়িশার কাশ্মীর। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।।