স্মৃতির ব্রিগেড, সহজ পাঠের ব্রিগেড

ছেলেটাকে তাড়াতাড়ি গরম জামা প্যান্ট পরিয়ে দাও। আমার ধুতি পাঞ্জাবি টা কোথায়? তাড়াতাড়ি দাও। নাহলে ওদিকে আবার খড়গপুর লোক্যালটা ধরতে পারব না। সকাল সকাল হু হু করে উত্তুরে হাওয়া বইছে।...

সিবিআইয়ে তীব্র অনাস্থা, তাই হিন্দুত্বের তাস

ধীমান সাহা রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা খুব চিন্তায়। শুভেন্দু অধিকারী এত হিন্দু হিন্দু করছেন কেন?‌ কথায় কথায় হিন্দু–‌মুসলিম তাস খেলছেন কেন?‌ যেখানে যাই ঘটুক, তার পেছনে এমন উস্কানিমূলক মন্তব্য করছেন কেন?‌ বছর...

সরকার দাঙ্গার চাষ করে, তাই দাঙ্গা হয়

কেউ হিন্দুর জুজু দেখাচ্ছেন। কেউ মুসলিম জুজু দেখাচ্ছেন। এই জুজু দেখানোই ওঁদের হাতিয়ার। এঁরাই কেউ রাজ্যে, কেউ কেন্দ্রে সরকার চালাচ্ছেন। সরকারের কাজ কী, এই অর্বাচীনরা সত্যিই জানেন না। কোন মঞ্চে কোনটা বলতে হয়, কোন মঞ্চে কোনটা বলতে নেই, এই ন্যূনতম শিক্ষাটুকুই নেই। এঁরা চালাবেন প্রশাসন?‌ নিজেদের সীমাহীন ব্যর্থতা ঢাকতে দাঙ্গাই এদের হাতিয়ার।

আসল আসামী বারবার আড়ালেই থেকে যান

যিনি আড়ালের আসল মাথা, তাঁকে তো সবাই চেনেন। তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড় করা যাচ্ছে না?‌ তাহলে কীসের সিবিআই?‌ কীসের ইডি?‌ যাঁরা এতবছর ধরে তদন্ত করে অশ্বডিম্ব প্রসব করলেন, কেন তাঁদের শাস্তি হবে না?‌ অন্তত এই অযোগ্য শিক্ষকদের চেয়ে এই অযোগ্য সিবিআই আধিকারিকরা অনেক বেশি অপরাধী।

একজন শিক্ষক এগিয়ে এসে বলুন, রানী তোর কাপড় কোথায়!‌

লন্ডনে সভা ভন্ডুলের চেষ্টাকে ধিক্কার জানিয়েছিলাম। কিন্তু এখানে আন্তরিকভাবেই চাই, আপনার জন্য অপেক্ষা করে থাকুক তীব্র ঘৃণা আর ধিক্কার। ঢোকার মুখেই যেন শুনতে হয়ে গো ব্যাক স্লোগান। চোর চোর ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠুক নেতাজি ইনডোর। একজন নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে এমন সম্ভাষণ হয়তো শোভনীয় নয়। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, শোভনতা, শালীনতা প্রত্যাশা করার অধিকারটুকুও তাঁর নেই। এই ধিক্কারই তাঁর প্রাপ্য। খুঁজছি সেই শিশুকে, যে এসে চিৎকার করে বলবে, রাজা তোর কাপড় কোথায়!‌

কী অবলীলায় সব দায় অন্যদের ঘাড়ে চাপাচ্ছেন‌!‌

এই নিয়োগের পেছনে ছোট খাটো দুর্নীতি নয়, একেবারে নির্লজ্জ স্তরের জালিয়াতি হয়েছে। এসএসসি চেয়ারম্যানের চোদ্দ পুরুষের ক্ষমতা ছিল না এই মাপের দুর্নীতি করার। যাঁরা সমস্ত প্রমাণ লোপাট করলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে তো একটা কথাও বললেন না। যাঁরা কয়েকশো কোটি এখান থেকে উপার্জন করলেন, তাঁদের নামে তো একটি কথাও বললেন না।

সেই একই কুনাট্য চলছে

আইন আইনের পথে চলবে –এই লব্জ মনে রেখে আদালতের উপরেই যেন ছেড়ে দিয়েছিলাম বিচারের ভার। ফলে, এই রায়ে আমরা আজ বেদনাহত হলেও বিস্মিত নই। ভাবছি দুর্নীতি কিছু তো হতেই পারে, কিন্তু তাই বলে এরকম রায়? যেন যাবতীয় দোষ আদালতের, শিক্ষা দপ্তরের নয়।

একজনকে বাঁচাতে ২৬ হাজার শিক্ষককে বলি!‌

এক কথায় ছাব্বিশ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল করা গেল। কিন্তু যাঁরা দিনের পর দিন হলফনামায় জানালেন, দুটো তালিকা আলাদা করা সম্ভব, তাঁদের কী হবে?‌ যাঁরা দিনের পর দিন আদালতকে বিভ্রান্ত করলেন, সবার আগে দরকার ছিল তাঁদের হেফাজত নিশ্চিত করা। যাঁরা সব প্রমাণ নষ্ট করেছেন, তাঁদের কী শাস্তি দিল আদালত?‌ তাঁদের অপরাধ নিয়ে তো কোনও সংশয় নেই!‌

দলবদলুরা জানেন, শুধু তাঁরা একাই চরিত্রহীন নন

এই সব দলবদলুকে কেন চরিত্রহীন বলা যাবে না?‌ যাঁরা তাঁদের বরণ করে নিচ্ছেন, তাঁদেরই বা কেন চরিত্রহীন বলা যাবে না?‌ সে স্পিকার সবকিছু দেখেও, বারবার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও টালবাহানা করেন, তাঁকেই বা কেন চরিত্রহীন বলা যাবে না?‌

সব ব্যাটাকে ছেড়ে ইউটিউবারকে ধর

সরকারের অনেক কাজ। পুলিশের সামনে অনেক কাজ। এসব ছেঁদো কাজে নিজেদের সময় নষ্ট না করে নিজেদের হারানো সম্মান পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করুন। কোনও চ্যানেলে কে কী বললেন, তাঁদের পেছনে না ধাওয়া করে, আসল অপরাধীদের চিনতে শিখুন। আপনাদের সম্মানহানির জন্য আপনাদের কর্তারাই যথেষ্ট। বাইরে থেকে অন্য কাউকে দরকার নেই।