প্রতুলের গান যেন সম্প্রীতির দৃপ্ত স্লোগান

কিছু গান থাকে সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে অন্য পারে পৌঁছে যায়। এপার বাংলা না ওপার বাংলা, সব গুলিয়ে যায়। তাই আমি বাংলায় গান গাই এপারে যতটা জনপ্রিয়, ওপারেও ততটাই জনপ্রিয়। ওপারের মঞ্চে কী অবলীলায় গেয়ে উঠতে পারেন, ‘‌দুইজনাই বাঙালি ছিলাম/‌দেখ দেখি কাণ্ডখান/‌তুমি এখন বাংলাদেশি/‌আমারে কও ইন্ডিয়ান।’‌

একেনবাবুকে এত ঝামেলায় ফেলার কী দরকার!‌

একটা খুন দিয়ে শুরু। দেখতে দেখতে গোটা পাঁচেক খুন হয়ে গেল। ঘেঁটে ঘ হয়ে যাওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। বেচারা একেনবাবু নিপাট ভাল মানুষ। একটু ভোজনসরিক। একটু স্বভাবরসিক। তাঁকে এই ঝামেলায় না ফেললেই চলছিল না!‌ এত কঠিন অঙ্ক দেওয়া কেন বাপু!‌ গোয়েন্দা কাহিনীকে ‘‌পোক্ত’‌ করতে পাঁচখানা খুনের কী দরকার ছিল?‌ দু–‌তিনটে খুন হলে বুঝি গোয়েন্দার মান ইজ্জত থাকত না!‌

৪ আগস্টের ডায়েরি। কুণাল দাশগুপ্ত

বইয়ের বিষয় কিশোর কুমার। লেখক কুণাল দাশগুপ্ত। এক কিশোর অনুরাগীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। কিশোর কুমারের জন্মদিনে মাঝে মাঝেই বেঙ্গল টাইমসে কলম ধরেছেন কুণাল দাশগুপ্ত। প্রতিবার নতুন নতুন আঙ্গিকে। একদিকে গবেষণা, অন্যদিকে তীব্র...

বেঙ্গল টাইমস। ই–‌ম্যাগাজিন। ১৭ জানুয়ারি সংখ্যা

১৭ জানুয়ারি। দিনটি বাঙালির কাছে বয়ে এনেছে দুটি দঃসংবাদ। ২০১০ সালের এই দিনে প্রয়াত হয়েছিলেন জ্যোতি বসু। ঠিক তার চার বছর পর এই দিনে চির নির্বাসনে চলে যান সুচিত্রা সেন।...

নাটোরের বনলতা নয়, আমাদের সুচিত্রা সেন

স্বয়ং সুচিত্রা সেন ফোন করে ইন্টারভিউ দিতে চাইলেন! কিন্তু ছবি তুলতে বাধা দিলেন কেন? লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।। হঠাৎ বেজে উঠল মোবাইলটা। অচেনা নম্বর। সাতসকালে কে আবার ফোন করে জ্বালাত করছে!...

গাড়ি থেকে নেমে এলেন সুচিত্রা সেন

গাড়ি থেকে নেমে এলেন সুচিত্রা সেন একা সুচিত্রা, একা তিনি। একঘরে ঠিক একঘণ্টা পাঁচ মিনিট। সেই অভিজ্ঞতার স্মৃতি রোমন্থন করলেন তুষার প্রধান। আঁধির ইন্দিরা গান্ধীকে মনে পড়ছিল খুব। আমি যখন...

সুরের ‘‌সলিলে’‌ প্রতিদিনই অবগাহন করি

আমাদের ছোটবেলার প্রথম অংশটা শুধু সলিল চৌধুরির গান শুনেই কেটে গেছে। আর একটু পরিণত বয়সে এসে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলাম তাঁর গণসঙ্গীতে । “ও আলোর পথযাত্রী, এ যে রাত্রি/এখানে থেমো না” বা “ঢেউ উঠছে কারা টুটছে” বা ‘‌‘‌এই রোকো রোকো পৃথিবীর গাড়িটা থামাও” বা “পথে এবার নামো সাথী” অথবা “হেই সামালো ধান হো/কাস্তে টা দাও শান হো/জান কবুল আর মান কবুল” তো একটু একটু করে একদিন চেতনায় মিশে গেছে।

এমন বৈচিত্রআর কার সুরে ছিল!‌

অ্যালবামের গানেও যেমন সফল। তেমনই সফল ছবির গানে। গণসঙ্গীতে যেমন ছাপ ফেলেছেন, তেমনই বলিউডি গানেও। রাগপ্রধান গানে যেমন দখল, তেমনই গ্রামগঞ্জে খুঁজে বেড়িয়েছেন লোক গানের সুর। সুরের এমন বৈচিত্র‌্য আর কজনের মুকুটে ছিল?‌

সেই ছবিটাই বাঁচিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন উমা

ভাবা যায়, যিনি পথের পাঁচালির দুর্গা, তিনি ভবিষ্যতে আর কোনও সিনেমাই করেননি!‌ প্রস্তাব আসেনি, এমন নয়। দুর্গা আবার পর্দায় ফিরছেন, এমন জানলে যে কোনও পরিচালকই সাদরে বরণ করে নিতেন। হয়তো তাঁকে কেন্দ্র করেই তৈরি হত চিত্রনাট্য। ঠিক যেমন অপুর জীবন নিয়ে তৈরি হয়েছে কৌশিক গাঙ্গুলির অসামান্য ছবি ‘‌অপুর পাঁচালি’‌।

ভাইকে মনে হত অপু, আর আমিই যেন দুর্গা

দুর্গা আর অপু কোথায় যেন নিজের জীবনের সঙ্গে মিলে গিয়েছিল। সিনেমাটা টি ভি তে যখন প্রথম দেখি, তখন আমার ভাইও অপুর বয়সী। কেন জানি না, নিজেকে দুর্গার মতো মনে হত। তখনকার জীবন এখনকার মত এত স্বাচ্ছন্দ্যে ভরা ছিল না। আমি আর ভাই প্রকৃতির কাছে কতবার যে ছুটে চলে গেছি নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কারের নেশায়।