এভাবেই কেটে গেছে বেশ কয়েকদিন। এক রাতে হঠাৎ হাজির ভূতের রাজা। সে হাজির আরসালানের বিরিয়ানির প্যাকেট নিয়ে। বলল, তুমি গুপী–বাঘার থেকে ঢের ভাল। ওরা শুধু নিজেরা পেট পুরে খেয়েছে, আর ঘুরে বেড়িয়েছে। সুন্দরী রাজকন্যেদের বিয়ে করেছে। কিন্তু মাত্র কদিনে তুমি সমাজটাকেই বদলে দিয়েছ। সব অফিসে কর্ম সংস্কৃতি ফিরে এসেছে। শিক্ষকরা স্কুলে যাচ্ছে, মন দিয়ে পড়াচ্ছে, ডিএ নিয়ে ফেসবুকে হতাশা দেখাচ্ছে না। সরকারি অফিসে কাজ হচ্ছে। ছেলেরাও মন দিয়ে পড়ছে। তাই তোমার জন্য এই বিরিয়ানির প্যাকেট এনেছি।
মাঝরাতেই সেই বিরিয়ানি শেষ করে ফেলল কুট্টুস।
জীবনে কত গান গেয়েছেন ? নিজেও মনে করতে পারবেন না। কিন্তু অনুপ ঘোষাল বলতেই বাঙালির কোন গান মনে পড়ে ? প্রায় ৪৫ বছর আগে গাওয়া গুপির গলার গান। সেই গানের...
জটায়ু আসলে কে? অনেকে টেনে আনবেন রামায়ণের কথা। অনেকে বলবেন, সত্যজিৎ রায়ের তৈরি চরিত্র। ফেলু, তোপসের নামও চলে আসবে। কেউ বলবেন সন্তোষ দত্ত। আসলে, তিনি অন্য একজন। কে ? ফাঁস করলেন স্বয়ং জটায়ু। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
মান্না দে-কে নিয়ে সিনেমা। তাতে অভিনয় করছেন স্বয়ং মান্না দে ! কফিহাউসে বসে গাইলেন অমরত্ব পাওয়া সেই গান। শুটিংয়ের টুকরো টুকরো নানা মুহূর্ত তুলে ধরলেন পরিচালক সুদেষ্ণা রায়। জন্মদিনে কিংবদন্তি...
স্মৃতিটুকু থাক আমাদের বাড়িতে আমার সবথেকে ভাল বন্ধু ছিল আমার জেঠু। বাবাকে অনেককিছু বলতে পারতাম না। আবদার জুড়তাম জেঠুর কাছে। জেঠুও জানত, আমি কী চাই। তাই না চাইতেই অনেক কিছু...
কফিহাউসের সেই গান পেয়েছে অমরত্ব। কিন্তু কফিহাউস সিরিজের আরও একটা গান গেয়েছিলেন মান্না দে। সেই গান কোথাও শোনা যায় না। মান্না দে-র জন্মদিনে হারিয়ে যাওয়া সেই গানের কথা তুলে আনলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
বললাম, তোপসে কি বড় হবে না? ওকে একা ছেড়ে দিন না। সে–ও কিছু সমাধান করুক। এতটুকুও বিরক্ত হলেন না। উনি হাসতে হাসতে বললেন, ‘তাহলে যে ফেলু একা হয়ে যাবে। তোপসে ছাড়া সে–ও যে অসম্পূর্ণ।’
অনির্বাণ ঠাকুর সত্যজিৎ রায়ের প্রথম ছবি ‘পথের পাঁচালী’ মুক্তি পায় ১৯৫৫ নাগাদ। শেষ ছবি ‘আগন্তুক’ ১৯৯১ সালে। অর্থাৎ, ছবির জীবন মোটামুটি ৩৬ বছরের। এই সময়ে বাংলা গানের জগতে কারা দাপিয়ে...
আমরা সবজান্তা। আমরা আগে চায়ের দোকানে বসতাম। গুলতানি করতাম। কিন্তু এখন আর চায়ের দোকানে বসলে সেই স্টেটাস থাকে না। তাছাড়া, গরমে এতক্ষণ বসা মুশকিল। আমি এত সবজান্তা। আমার একটা প্রেস্টিজ আছে তো। আমার হাতে আছে স্মার্টফোন। আমার নামে–বেনামে খানকয়েক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। আমি সেখান থেকেই আমার বাণী প্রচার করব। আর মিনিটে মিনিটে লাইক গুনে যাব।
প্রশান্ত বসু দুর্গাপুজো আসা মানেই একঝাঁক বাংলা ছবির মুক্তি। এমনটা আগেও ছিল। এখনও আছে। ফল কী হয়? পুজোর ব্যস্ততায় অনেক ছবিই দেখা হয় না। তারপর এক–দু সপ্তাহ যেতে না যেতেই...