অনন্য এক সন্ধ্যা, ভানুবাবুর সঙ্গে
পুজোর সময় মাত্র কয়েকদিনের জন্য দেশে এসেছিলেন। আবার তিনি মার্কিন মুলুকে। যাওয়ার আগে একটি অনন্য সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার স্মৃতি ভাগ করে নিলেন মধুজা মুখোপাধ্যায়।
পুজোর সময় মাত্র কয়েকদিনের জন্য দেশে এসেছিলেন। আবার তিনি মার্কিন মুলুকে। যাওয়ার আগে একটি অনন্য সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার স্মৃতি ভাগ করে নিলেন মধুজা মুখোপাধ্যায়।
নাটকের কিছুই তিনি বোঝেন না। তবু পাকামি করে নাটক দেখতে চলে যান। ভাবেন, নাটক দেখলে লোকে হয়ত ‘বুদ্ধিজীবী’ বলবে। এবার গেলেন ‘তুঘলক’ নাটক দেখতে। বললেন, সেই তুঘলক নাকি এখনও আছে। আজগুবি এক রিভিউ লিখলেন রবি কর।
কেউ ভালবাসেন নাটক, কেউ সিনেমা, কেউ মগ্ন সিরিয়ালে। এই তিন শ্রেণীর দ্বন্দ্ব লেগেই থাকে। কেউ অন্যকে দেখে নাক সেঁটকান, আবার কেউ অন্যকে বলেন ‘আঁতেল’। পীযূষ গাঙ্গুলি বোধ হয় তিনটে শ্রেণীকে এক আঙিনায় এনেছিলেন। তাই শোক ও শূন্যতায় মহামিলন তিন শ্রেণীর। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
দেখতে দেখতে চল্লিশ বছর হয়ে গেল শোলে ছবির। চল্লিশ বছর গব্বরেরও। হঠাৎ কীভাবে সুযোগ পেলেন আমজাদ খান? কীভাবে কালজয়ী হয়ে উঠল সংলাপগুলো? লিখলেন শোভন চন্দ।।
একেবারে নুতন আঙ্গিকে পথের পাঁচালি। আধুনিক, ঝকঝকে প্রিন্ট। হলের ভেতর প্রায় সবাই মার্কিন নাগরিক। তাঁরা না বোঝেন বাংলা, না চেনেন নিশ্চিন্দিপুর। তবু তাঁদের চোখ ছলছল। মার্কিন মুলুকে অপু-দুর্গা আর কাশফুল দেখার সেই অনুভূতির কথা বেঙ্গল টাইমসের জন্য তুলে ধরলেন মধুজা মুখোপাধ্যায়।
আজ ৩ সেপ্টেম্বর উত্তম-কুমারের জন্মদিন। উত্তম বলতেই এসে যায় সুচিত্রার কথাও। বাঙালির একটাই জুটি, উত্তম-সুচিত্রা। কিন্তু পোস্টারগুলো ভাল করে লক্ষ্য করেছেন ? শুরুর দিকের কয়েকটি ছবি ছাড়া কোথাও লেখা নেই উত্তর-সুচিত্রা। এর কারণ কী ? জানালেন সংহিতা বারুই।।