ভাগ্যিস ছন্দা সেনকে এমন চিৎকার করতে হয়নি
আর বিকেল পাঁচটার বাংলা ছবি মানে, মাঝখানে থাকবে বাংলা সংবাদ। কবে কে খবর পড়বেন, আগে থেকে বাজি ধরাও চলত। আজ কে আসবেন? তরুণ চক্রবতী নাকি কমলিকা ভট্টাচার্য? দেবরাজ রায় নাকি ছন্দা সেন? দেবাশিস বসু নাকি ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য?
ট্রেনের সেই আজব ভদ্রলোক
ভোলেবাবা অভিযান, সেই প্রথম গঞ্জিকায় টান
তারপরেও ভোলেবাবা গেছি। কিন্তু আর কখনও গঞ্জিকা চক্করে পড়িনি। তবে এখনও কাউকে ভোলেবাবা যেতে দেখলে গন্ধেশ্বরীর পাড়ে ঘুমিয়ে পড়ার দৃশ্যটা মনে পড়ে যায়।
কিশোর মনে ঝড় তোলা সেই শত্রু
বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ আশির দশক। উঠে এল তখনকার একটি হিট ছবির কথা। সেই ছবিকে ঘিরে অনেক নস্টালজিয়ার কথা। শিশুমনে কত প্রশ্ন ও মুগ্ধতার কথা। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।
ডিম নিয়ে ভাবুন, ভাবা প্র্যাকটিস করুন
আমরা যখন অম্লান বদনে ডিম খাই, তখন কি একবারও ভাবি কত মুরগির কোল খালি হয়ে গেল। প্লেটের ওপর সাজানো ডিমটাই হয়তো একটা ছোট্ট ফুটফুটে বাচ্চা হতে পারত। মায়ের সঙ্গে ঘুরঘুর করতে পারত। ভোরবেলায় ‘কোঁকর কোঁক’ করে অন্যদের ঘুম ভাঙাতে পারত। ডিমের এই নিঃসার্থ আত্মত্যাগের ইতিহাস কি মানব জাতি মনে রাখবে? নাকি ‘ডিম রবে চিরকাল হতাশের নিস্ফলের দলে?’
আড্ডা নিয়ে লেখা গান, তৈরি হল নতুন ইতিহাস
আড্ডা নিয়ে একটা গান লিখতে পারো তো। কফি হাউসের ওই আড্ডা নিয়েও তো গান হতে পারে। গৌরীপ্রসন্নর কাছে আবদার রাখলেন অনুজপ্রতিম সুপর্ণকান্তি। যেমন কথা, তেমন কাজ। লিখেও ফেললেন গৌরীপ্রসন্ন। শেষ কয়েকটা লাইন লিখেছিলেন হাওড়া স্টেশনে বসে, সিগারেটের খাপের উল্টোদিকে। সেই কালজয়ী গানের আড়ালের কথা উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।
জ্যোতিবাবু জঙ্গলের বড় বাঘের মতো
কেনেডির কাছেও ভিজিট চেয়েছিলেন!
মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বাড়িতে নিয়ম করে রোগী দেখতেন বিধানচন্দ্র রায়। কারও কাছেই কোনও ভিজিট নিতেন না। একেবারেই নিখরচায়। সেই বিধানচন্দ্রই ভিজিট চেয়ে নিয়েছিলেন বিশেষ একজনের কাছে। তিনিও আবার যেমন তেমন রোগী নন। খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ড জন কেনেডি।
একটি পেরেকের কাহিনী
বিধানবাবুর জীবনী হয়ত অনেকেই লিখেছেন। তাতে নিশ্চিতভাবেই অনেক অজানা তথ্য আছে। কিন্তু এমন সহজ সরলভাবে আর কেউ তুলে ধরতে পেরেছেন! মনে হয় না। বইটি সবার পড়া উচিত। দ্রুত পড়ে ফেলুন। একটি পেরেকের কাহিনী পড়ে লিখলেন উত্তম জানা।
