দারুণ ফিল্ম বানিয়েছো হে, অস্কার না পেয়ে যাও!‌

সত্যজিত রায়ের ‘‌পথের পাঁচালী’‌ এক স্বপ্ন জয়ের লড়াই। সত্যজিত বেচে দিলেন সহধর্মিনী বিজয়া রায়ের সব গহনা, জীবনবীমার পলিসি, নিজের দুষ্প্রাপ্য গানের রেকর্ডের সংগ্রহ। সব যোগ করেও যে হল না ফিল্ম...

ভিভ মানেই এক অলস আভিজাত্য

ক্রিকেটের সম্রাট বলে যদি কেউ থেকে থাকেন, তবে সেটা ভিভ রিচার্ডস। তাঁর থেকে বেশি রান বা সেঞ্চুরি অনেকেই করেছেন। তাঁর থেকেও কম বলে সেঞ্চুরিও অনেকে করেছেন। কিন্তু তাঁদের কাউকেই রিচার্ডসের আশেপাশে বসানো যায় না। ভিভ মানেই কৈশোরের সেই মুগ্ধতা। ভিভ মানেই একটা অলস আভিজাত্য। ভিভ মানেই একটা রাজকীয়তা।

‌তোমার বাড়ি আমার বাড়ি মকাইবাড়ি, মকাইবাড়ি

আপনার কাছেই তো সেই ঐতিহাসিক নকশালবাড়ি। সেখানে গণ অভ্যুত্থানের সময় একটা স্লোগান উঠেছিল, ‘তোমার নাম, আমার নাম/ভিয়েতনাম ভিয়েতনাম।’ তখন আমার জন্মও হয়নি। কিন্তু স্লোগানটার কথা কতবার যে শুনেছি! ওই ছন্দের সঙ্গে মিলিয়ে বলতে ইচ্ছে করত, ‘তোমার বাড়ি, আমার বাড়ি/মকাইবাড়ি মকাইবাড়ি।’

সব চা একইরকম, প্যাকেটগুলো আলাদা

একবার লন্ডনে হোটেলে সকালে চা খাচ্ছি। ম্যানেজার দেখলাম, দাঁড়িয়ে আছে। কিছু বলবে। আমি তাকালাম। ম্যানেজার বলল, স্যার, এটা ফেমাস দার্জিলিং টি। ওই ছোকরা আমাকে দার্জিলিং চেনাচ্ছে। ও জানে না যে দার্জিলিংটা পশ্চিমবঙ্গে আর আমি সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী। ও জানুক আর না জানুক, বিদেশির মুখে দার্জিলিং চায়ের সুনাম শুনে ভাল লাগল। বেশ গর্বই হল। কিন্তু দার্জিলিং চা খেতে আমাকে লন্ডন যেতে হবে কেন?‌ এখানে কেন পাব না?‌ আজ বুঝতে পারছি, এই সৌগতবাবুরা সব চা–‌ই বিদেশে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।

গীতা মুখার্জির পাঠশালায় নারীর মুক্তি

‌কেমন ছিলেন অতীত দিনের দিকপাল সেই সাংসদরা?‌ কেন এতবছর পরেও তাঁদের আমরা মনে রাখি?‌ এই নিয়ে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ সিরিজ। এবারের শ্রদ্ধাঞ্জলি গীতা মুখার্জিকে। লিখেছেন ড. অরিন্দম অধিকারী।।

মুকুলের ছায়া থেকে এখনও নিস্তার নেই কুশলের

সোনার কেল্লার সেই মুকুল। আজকের কুশল চক্রবর্তী। মাঝে পেরিয়ে গেছে ৪৬ বছর। সত্যজিৎ রায়কে ঘিরে টুকরো টুকরো অনেক স্মৃতি। বলে গেলেন কুশল। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী ।।

কফিহাউসের হারিয়ে যাওয়া সেই গান

কফিহাউসের সেই গান পেয়েছে অমরত্ব। কিন্তু কফিহাউস সিরিজের আরও একটা গান গেয়েছিলেন মান্না দে। সেই গান কোথাও শোনা যায় না। মান্না দে-র জন্মদিনে হারিয়ে যাওয়া সেই গানের কথা তুলে আনলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

কীভাবে লেখা হল আড্ডার সেই চিরন্তন গান?‌

প্রয়াত কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী মান্না দে’‌র কথা উঠলেই সবার মাথায় যে গানের সুর গুনগুন করে ওঠে, সেটি নিঃসন্দেহে ‘কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই।’‌ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল বন্ধুত্বের চিরন্তন সম্পর্কের এই কালজয়ী গানের গড়ে ওঠার ইতিহাস।

স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফিহাউসের

কফিহাউসের সেই আড্ডাটা আর আজ নেই। গানটা আমরা সবাই জানি। মান্না দের কণ্ঠে গানটা পেয়েছিল অমরত্ব। কিন্তু কফিহাউস নিয়েই আরও একটি গান ছিল মান্না দের। প্রথম কফিহাউসের তেইশ বছর পর। সেই গানটি সেভাবে প্রচারিত নয়। গানটি কথা শমীন্দ্র রায়চৌধুরির। সুর সুপর্ণকান্তি ঘোষের। মান্না দে–‌র জন্মদিনে সেই গান বেঙ্গল টাইমসের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল। এখন অবশ্য ইউটিউবে গানটি শোনা যায়। আগ্রহীরা শুনে দেখতেই পারেন।

পায়ে হেঁটেই নববর্ষের আড্ডায় হাজির দাদাঠাকুর

পোশাকি নাম সবিতেন্দ্রনাথ রায়। বইপাড়ায় জনপ্রিয় নাম ভানুবাবু। নববর্ষ মানেই তাঁর দোকানে লেখকদের জমজমাট আড্ডা। অনেক স্মৃতি সযত্নে আগলে রেখেছেন। তাঁর সঙ্গে মুখোমুখি আলাপচারিতায় স্বরূপ গোস্বামী।।