শেহবাগকে খোলা চিঠি শতরূপের
বাবা প্রাণ দিয়েছেন কার্গিলের যুদ্ধক্ষেত্রে। মেয়ে গুরমেহেরও লড়ে যাচ্ছে নিজের ময়দানে। লড়াকু সেই মেয়েটির পাশে না দাঁড়িয়ে উল্টে তাঁকে কটাক্ষ করলেন বীরেন্দ্র শেহবাগ! তাঁকে খোলা চিঠি। লিখলেন শতরূপ ঘোষ।।
বাবা প্রাণ দিয়েছেন কার্গিলের যুদ্ধক্ষেত্রে। মেয়ে গুরমেহেরও লড়ে যাচ্ছে নিজের ময়দানে। লড়াকু সেই মেয়েটির পাশে না দাঁড়িয়ে উল্টে তাঁকে কটাক্ষ করলেন বীরেন্দ্র শেহবাগ! তাঁকে খোলা চিঠি। লিখলেন শতরূপ ঘোষ।।
কত সহজেই আমরা অমর্ত্য সেনের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তুলি। ভুলে যাই, তাঁর যোগ্যতা বুঝব, এমন শিক্ষা–দীক্ষাই আমাদের নেই। এই দুর্ভাগা দেশে এভাবেই অসম্মানিত হতে হয় এমন বিশ্ববরেণ্যদের। অমর্ত্য সেনকে খোলা চিঠি। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।
তিনি কাশ্মীরের, তিনি কলকাতারও। মন পড়ে থাকে ভূস্বর্গে। কিন্তু কলকাতার সুখ–দুঃখের সঙ্গেও তিনি জড়িয়ে আছেন। যাই যাই শীতে তিনি কলকাতার অতিথি। কেমন হয় এক শালবিক্রেতার জীবন? কাবুলিওয়ালার রহমতের সঙ্গে মিল কোথায়? এই নিয়ে নস্টালজিক এক চিঠি। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
নন্দ ঘোষ ঠিক করলেন, বইমেলায় যাবেন। গেলেন। নানা প্রকাশক ও লেখকদের নিয়ে অনেক খোঁজখবর নিলেন। বইমেলা নিয়ে কিস্তি লিখতে চান। তাঁকে কে না করবে? শুধু হল দেজ পাবলিশিংকে দিয়ে। আজ তাঁর শিকার দেজ–এর কর্ণধার শুধাংশুশেখর দে।।
সোনিয়া মানে পরিবারতন্ত্র, দেখে দেখে ভাষণ দেওয়া। এমনটা তো অহরহ বলে থাকি। কিন্তু তার আড়ালে অন্য এক সোনিয়া গান্ধী, যিনি দু–দুবার হেলায় ফিরিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীত্ব। আমার দেশের কজন পেরেছেন ? এর পরেও তাঁকে বিদেশি বলে দূরে সরিয়ে রাখব ? সোনিয়ার সত্তরতম জন্মদিনে তাঁকে নিয়ে বিশেষ লেখা। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।।
এখন যারা হানি সিংদের জন্য লাফাচ্ছে, তারা কুড়ি বছর পর এইসব গান শুনবে তো ? আমরা কিন্তু এখনও শানুর গান শুনি। বেশ গর্বের সঙ্গেই শুনি। নিজের অজান্তে গেয়েও উঠি। ৬০ তম জন্মদিনে কুমার শানুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখলেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।
সিঙ্গুর এখন আবির খেলুক। মিস্টিমুখ করুক। বিজয়োৎসব করুক। একদিন তাঁরা ঠিক বুঝতে পারবেন, কে তাঁদের আসল বন্ধু ছিল। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে খোলা চিঠি। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
লোকে চিঠি লিখতেই ভুলে গেছে। কিন্তু ভোরে উঠে যদি চিঠি লেখেন, তাহলে কেমন হয়? এই নিয়ে লিখেছেন মনোবিদ কুণাল সাহা।
আদর্শের টানে কেউ দল ছাড়ছে না। কোথাও নৈতিকতার ছিঁটেফোটাও নেই। কে কী শর্তে বিকিয়েছেন, খোঁজ নিলেই জানা যাবে। এই লোকেরা বলছেন, মমতা ব্যানার্জির আদর্শে দল ছাড়লাম। এঁদের ‘আদর্শ’ হওয়া কি সত্যিই খুব গর্বের? লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
ধামাধরাদের ভিড়ে তিনি স্বতন্ত্র। তাঁর কণ্ঠে নতুন করে প্রাণ পেয়েছে হারিয়ে যাওয়া অনেক কবিতা। ২৫ বছর সঙ্গীত জীবনের অনুষ্ঠান রবীন্দ্র সদনে। তার আগে তাঁকে খোলা চিঠি। লিখলেন বৃষ্টি চৌধুরি।