অধীর যদি বিজেপি–তে আসেন!
জোর গুঞ্জন, অধীর চৌধুরি নাকি বিজেপিতে যেতে পারেন। সোনিয়া মমতাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে না হয় কংগ্রেস ছাড়বেন। কিন্তু আগামীদিনে মোদিও যদি গুরুত্ব দিতে শুরু করেন, তখন কোথায় যাবেন? লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
জোর গুঞ্জন, অধীর চৌধুরি নাকি বিজেপিতে যেতে পারেন। সোনিয়া মমতাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে না হয় কংগ্রেস ছাড়বেন। কিন্তু আগামীদিনে মোদিও যদি গুরুত্ব দিতে শুরু করেন, তখন কোথায় যাবেন? লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
সন্ধে হলেই বাড়িতে সিরিয়াল চলে? পরিবারে অশান্তির জন্য আর কী চাই? সংসারে যত জটিলতার উৎস, এই সিরিয়াল। লিখেছন সুমিত চক্রবর্তী।।
মেদিনীপুরে পিটিয়ে খুন করা হল সিপিএম নেতাকে। নিশ্চিত থাকুন, পুলিশ কিছুই করবে না। মুর্শিদাবাদে টিএমসিপি নেতা খুন। পুলিশ ধরল জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতিকে। নির্লজ্জ আচরণটাই যেন পুলিশের দিনলিপি হয়ে দাঁড়িয়েছে। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
হলই বা ইউক্যালিপ্টাসের জঙ্গল। বেশ গা ছমছমে একটা ব্যাপার। সত্যিকারের শিকারের মতোই পা টিপে টিপে এগোনো। হাতে বন্দুক, মাথায় টুপি। সামনে সেনাপতি। শিকারের সেই রোমাঞ্চই উঠে এল অন্তরা চৌধুরীর কলমে।
টিভিতে বাংলা নাটক নিঃসন্দেহে ভাল উদ্যোগ। কিন্তু সিরিয়ালের মোহ ছেড়ে কজন দেখবেন? কজনই বা জানতে পারবেন? তাই এই শুভ উদ্যোগের প্রচারটাও খুব জরুরি।। লিখেছেন প্রসূন দত্ত।
একটি বিজ্ঞাপনকে ঘিরে বিতর্ক। কেন বামমনষ্ক পাত্র চাওয়া হয়েছে? রাশি, গণ, গোত্র, জাতের উল্লেখ থাকলে ক্ষতি নেই। রাজনৈতিক বিশ্বাস ও রুচির কথা থাকলেই যত আপত্তি! বিয়ের বিজ্ঞাপন নিয়ে আসুন নতুন করে ভাবি। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
অযোধ্যা, তবে যোগীর রাজ্যে নয়। আমাদের এই বাংলায়। একদিকে সবুজের সমারোহ, অন্যদিকে পলাশের লাল রঙ। একদিকে রুক্ষতা, অন্যদিকে সুন্দরী ঝর্না। সবমিলিয়ে অযোধ্যা সত্যিই অনন্য। সেখান থেকে ঘুরে এসে লিখলেন সংহিতা বারুই।।
নার্সিংহোমের মালিকদের ডেকে কড়া ধমক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অবশ্যই ভাল উদ্যোগ। অনেকের মনের কথাই বলেছেন। কিন্তু শুধু ধমকে কাজ হবে না। চাই কড়া নজরদারি। চালু হোক অভিযোগ সেল, নিষ্পত্তি হোক সাতদিনে। লিখেছেন ডা. শান্তনু মাজি।।
নিজের দেশ ছেড়ে অনেকদূরে ওরা উড়ে এসেছে। আপাতত ওদের ঠিকানা সাতরাগাছির ঝিল। কেমন আছে সেই পরিযায়ী পাখির দল? লিখলেন সংহিতা বারুই।