এই বাংলায়, অন্য অযোধ্যায়

অযোধ্যা, তবে যোগীর রাজ্যে নয়। আমাদের এই বাংলায়। একদিকে সবুজের সমারোহ, অন্যদিকে পলাশের লাল রঙ। একদিকে রুক্ষতা, অন্যদিকে সুন্দরী ঝর্না। সবমিলিয়ে অযোধ্যা সত্যিই অনন্য। সেখান থেকে ঘুরে এসে লিখলেন সংহিতা বারুই।।

বন্ধুত্ব!‌ শুরুই হয়েছিল ঝগড়া দিয়ে

তিনি ছিলেন কিংবদন্তি সাংবাদিক। একইসঙ্গে সুচিত্রা সেনের বন্ধু। তিন বছর আগে সুচিত্রা বিদায় নিয়েছেন। তিনিও বিদায় নিলেন গত বছর। কীভাবে আলাপ? তিন বছর আগে সেই স্মৃতিই মেলে ধরেছিলেন বর্ষীয়াণ সাংবাদিক অমিতাভ চৌধুরি।

গাড়ি থেকে নেমে এলেন সুচিত্রা সেন

একা সুচিত্রা, একা তিনি। একঘরে ঠিক একঘণ্টা পাঁচ মিনিট। সেই অভিজ্ঞতার স্মৃতি রোমন্থন করলেন তুষার প্রধান। জন্মদিনে মহানায়িকাকে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য।।

তবে কেমন হত তুমি বলো তো!

ধরা যাক, আবার ফিরে এলেন সুচিত্রা সেন। কী কী হতে পারে?‌ টিভি–‌র সান্ধ্য আসর থেকে মাওবাদী, ভবানী পাঠক থেকে হাসপাতালের রোগী। বিচিত্র সব প্রতিক্রিয়া তুলে আনলেন ময়ূখ নস্কর।।

পোস্টারে আগে থাকত সুচিত্রার নাম

আমরা মুখে বলি উত্তম–‌সুচিত্রা। পোস্টারে কিন্তু আগে থাকত সুচিত্রার নাম। এমন শর্তই দিতেন সুচিত্রা। আর সেটাই মেনে নিতে হত মহানায়ককে। সেই জুটির এমন ঠাণ্ডা লড়াইয়ের কথা তুলে আনলেন সংহিতা বারুই।।

গুলজারের হাত ধরেই ফিরে আসতে চেয়েছিলেন

দারুণ বন্ধুত্ব ছিল গুলজারের সঙ্গে। সেই আঁধি ছবির পর আবার ছবি করতে চেয়েছিলেন গুলজারের সঙ্গেই। কিন্তু আর হয়ে ওঠেনি। সেই বন্ধুত্বের কথা উঠে এল বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদনে।

রাষ্ট্রের কাছে কি এখনও ব্রাত্য কিশোর!‌

কখনও ক্ষমতার চোখরাঙানিকে পরোয়া করেননি। তাই রাষ্ট্রও মুখ ফিরিয়েই থেকেছে। জনতার হৃদয়ে, তবু রাষ্ট্রের কাছে তিনি যেন ব্রাত্যজন। তবে রুদ্ধসঙ্গীত নয়। গলা ছেড়েই গান গেয়েছেন। জোটেনি পদ্মশ্রীও। তাতে কী? মহাকালের বিচারে কে জয়ী ? লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।।