বড়া মাঙ্গোয়া— অলস দুটো দিনের ঠিকানা

বর্ষায় অনেকে পাহাড়কে এড়িয়ে যান। কিন্তু পাহাড়ে অলসভাবে বৃষ্টি দেখার আনন্দই আলাদা। এমনই এক ঠিকানা হতে পারে বড়া মাঙ্গোয়া। বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো এক ফার্মহাউস। সামনে দিগন্ত বিস্তৃত পাহাড়ের সারি। বৃষ্টিভেজা পাহাড় ধরা দেবে আরও মোহময়ী চেহারায়। লিখেছেন অভিরূপ দাস।

আপনার বেড়ানোর গল্প

আপনার বেড়ানোর সেই ডায়েরি যদি বেঙ্গল টাইমসে উঠে আসে, কেমন হয়!‌ লিখে ফেলুন আপনার অভিজ্ঞতার কথা। ‘‌কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন মার্কা’‌ টিপিক্যাল ছকে বাঁধা ভ্রমণ কাহিনী নয়। আপনি লিখুন আপনার মতো করেই। কোনও ফর্মুলা মেনে নয়, যা লিখতে ইচ্ছে করছে, আপনি সেটাই লিখবেন।

কোনও বুকিং ছাড়াই হাজির সেই পাহাড়ি গ্রামে

সবমিলিয়ে দুদিনের ট্যুরটা মন্দ হয়নি। মাঝে মাঝে রোদ। মাঝে মাঝে বৃষ্টি। গ্রাম্য কিছু দোকান। ইচ্ছেমতো মোমো, সিঙ্গাড়া খাওয়াই যায়। কতরকম ফলের গাছ। গোটা গ্রামটাই যেন নিজেদের গ্রাম। যেন যার ঘরে যখন খুশি ঢুকে পড়া যায়। ইচ্ছে হল, একজনের বাড়িতে চা খাব। এক আন্টিকে বলামাত্রই হাসিমুখে রাজি। তিনি চা করে আনলেন। চা–‌টা যে দারুণ এমন নয়। কিন্তু ওই আতিথেয়তা!‌ সত্যিই তুলনা হয় না। মানুষগুলো কত সহজ–‌সরল। একবার ভাবুন তো বেহালায় বা বরানগরে কোনও বাড়িতে গিয়ে আপনি চা খেতে চাইছেন। ইভটিজার বা চোর ভেবে গণপিটুনিও জুটে যেতে পারে।

বাঘ নেই বক্সায়!‌

একদিকে, সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে। সারা দেশেও আগের তুলনায় সংখ্যাটা বেড়েছে। কিন্তু বক্সা টাইগার রিজার্ভ ফরেস্টে কোনও বাঘের হদিশ পাওয়া গেল না। শুধু বক্সা নয়, উত্তরবঙ্গের কোনও জঙ্গল থেকেই বাঘের অস্তিত্বের কোনও প্রমাণ পাওয়া গেল না। ফলে বাঘ নেই বক্সায়— এই প্রবাদটা আরও জোরালো যুক্তি পেল।

এবার পঞ্চায়েত সমিতিও হাতছাড়া তৃণমূলের

উত্তরবঙ্গে এবার পঞ্চায়েত সমিতির হাতবদল। কোচবিহার জেলায়। ৪৫ জনের মধ্যে ২৩ জন যোগ দিলেন বিজেপিতে, সেই তালিকায় রয়েছেন সভাপতিও। লোকসভা নির্বাচনের পর এই প্রথম কোনও পঞ্চায়েত সমিতি হাতছাড়া হল তৃণমূলের।

পাহাড়ে ফের ছুটতে শুরু করল টয় ট্রেন

টানা বৃষ্টি, ধসের কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল টয় ট্রেনের পরিষেবা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালিয়েছে দার্জিলিং—হিমালয়ান রেল। আবার চালু হয়ে গেল টয় ট্রেনের পরিষেবা। তবে এনজেপি থেকে ট্রেন ছাড়ার সময় দেড় ঘণ্টা পিছিয়ে গেল। এতে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরল পর্যটকদরে।

টয় ট্রেনের সময় বদল হোক

টয় ট্রেনের সময় নিয়ে নতুন করে ভাবনা চিন্তা করুন রেল। দার্জিলিং মেল বা পদাতিক এক্সপ্রেস লেট করলে টয় ট্রেন ধরার সুযোগ থাকে না। আগাম টিকিট থাকা সত্বেও ট্রেন মিস। আবার টয় ট্রেন ধরার জন্য একদিন শিলিগুড়িতে কাটানোরও যুক্তি নেই। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।

থমথমে মুখের‌ ছবিই বলে দিচ্ছে কীভাবে ফেরানো হল

তিন জন আবার তৃণমূলে ফিরে এলেন। থমথমে ছবিগুলোই বলে দিচ্ছে, কীভাবে ওঁদের ফিরিয়ে আনা হল। এবার সভাধিপতিকেও হয়ত পদত্যাগ করাতে হবে, নইলে দলে টানতে হবে। সেই চেষ্টাতেও কোনও ‘‌ত্রুটি’‌ থাকবে না। জেলা পরিষদ ফিরে পেতে এমন সন্ত্রাসের আবহ!‌ প্রশান্ত কিশোর কেন, তাঁর চোদ্দ পুরুষের ক্ষমতা নেই এই তৃণমূলকে শোধরানোর।

আমি অশোক ঘোষকে দেখেছি

রাজ্যের তরুণ এক বিধায়ক। বিধানসভায় বিরোধীদের অন্যতম মুখ। সেই আলি ইমরানের চোখে কিংবদন্তি অশোক ঘোষ। লেখাটি পড়ুন। অনেক অজানা কথা জানতে পারবেন।

মন্ত্রীকে বললেন, রোজ হাঁড়িয়া খাও

‘তোমরা গ্রামে হাঁড়িয়া মদ খাও। কিন্তু এখানে সেটা পাচ্ছো না। বিলিতি মদ তোমার পেটে সহ্য হচ্ছে না। সেই কারণেই তোমার সমস্যা।’ দানিশ লাকরা কিছুটা যেন লজ্জা পেলেন। বিধানবাবু বললেন, তোমাকে মদ ছাড়তে বলছি না। যখন কলকাতায় আসবে, দয়া করে বিলিতি মদ খেয়ো না। পারলে হাঁড়িয়া সঙ্গে নিয়ে এসো।