বিকিয়ে যাওয়ার লোকের অভাব নেই। কিন্তু মাথা উঁচু করে লড়াই করার লোকও আছে। একা ভিক্টরকে রুখতেই হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। কীভাবে লড়াই করতে হয়, প্রতিদিন যেন দেখিয়ে দিচ্ছেন। ইতিহাসের পাতায় ভিক্টরদের লড়াইয়ের কথাই লেখা থাকে। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
কুয়াশাঘেরা দার্জিলিংয়ের ছবি তো হামেশাই দেখা যায়। কিন্তু এ যেন বরফের চাদরে ঢাকা দার্জিলিং। শিলাবৃষ্টি যে এমন সুযোগ এনে দেবে, কে জানত!
পাহাড়ে শান্তির কথা বলছিলেন বিনয় তামাং। কদিন যেতে না যেতেই মুখোশ খসে পড়ল। এখন হুঙ্কার ঝাড়ছেন, সাংসদ আলুয়ালিয়াকে পাহাড়ে উঠতে দেব না। কাকে খুশি করতে এই হুমকি? ‘অনুপ্রেরণা’ সত্যিই বড় ভয়ঙ্কর জিনিস। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
পাহড়ের ঘন সবুজ বনের মাঝে চোখ আটকে যাচ্ছিল রঙ-বেরঙের ফুলের দিকে। ভালো লাগছিল, খুব নিচ-দিয়ে বয়ে যাওয়া জলঢাকা নদীর আঁকা-বাঁকা গতিপথ। যে পথ, আমাদের সঙ্গে-সঙ্গেই এগিয়ে চলেছে বিন্দু দিকে। এভাবেই ধরা দিল ডুয়ার্স। সুনীপা দত্তর লেখনিতে।
কোথাও ঘন জঙ্গল। কোথাও পাহাড়ি চড়াই–উতরাই। আর ভেসে আসা মেঘের মিছিল তো আছেই। পাহাড়ের ছোট্ট এক জনপদ। নানা বৈচিত্র্যে মোড়া। তাই নিয়েই লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।
দার্জিলিং মেল ছাড়বে এনজেপি থেকেই। জানিয়ে দিল রেল। উত্তরবঙ্গের দুই শহরের মধ্যে চলছিল ঠান্ডা লড়াই। আপাতত তার নিষ্পত্তি। বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদন।।
এবার উপাচার্য হয়ে গেলেন সুবীরেশ ভট্টাচার্য। এসএসসি নিয়ে নাজেহাল। তার মধ্যে বাড়তি দায়িত্ব। হওয়ারই কথা। কারণ, তিনিই মুখ্যমন্ত্রীর ডিলিটের প্রস্তাবক। ‘অনুপ্রেরণা’ সত্যিই বড় সাঙ্ঘাতিক জিনিস।
সুবাস ঘিসিংয়ের নামে একটি রাস্তা। কিন্তু সেই রাস্তার আড়ালে কত মুখ বদলে গেল! কত বয়ান বদলে গেল! বিনয় তামাং, মমতা ব্যানার্জি, মন ঘিসিং – সবাই কেমন নিজের নিজের অঙ্ক বুঝে নিলেন! কার কী অঙ্ক? তাই নিয়েই লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
দার্জিলিং মেল তুমি কার? শিলিগুড়ির নাকি আলিপুরদুয়ারের? জোর তর্ক উত্তরবঙ্গের দুই শহরের। কী কী সুবিধা হতে পারে? কী কী সমস্যা হতে পারে? আলো ফেললেন কৌশিক রায়।
অনেকেই হয়ত পাহাড় বা ডুয়ার্স থেকে ঘুরে এলেন। কেউ ঘুরে এলেন ভিনরাজ্য থেকে। সেই বেড়ানোর অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে? বেঙ্গল টাইমসে আপনাকে স্বাগত।