ফরাসি সাহিত্য বুঝে ফাটিয়ে দিয়েছে!
নন্দ ঘোষ আবার বইমেলায় হাজির। ফ্রান্সের থিম প্যাভিলিয়নেও পৌঁছে গেলেন। তাঁর ইচ্ছে হল গিল্ডের মহাপন্ডিত মাতব্বর ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায়কে একটু প্রেম নিবেদন করবেন। সেই প্রেমপত্র কেমন হতে পারে? পড়ে নিন। জেনে নিন।
নন্দ ঘোষ আবার বইমেলায় হাজির। ফ্রান্সের থিম প্যাভিলিয়নেও পৌঁছে গেলেন। তাঁর ইচ্ছে হল গিল্ডের মহাপন্ডিত মাতব্বর ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায়কে একটু প্রেম নিবেদন করবেন। সেই প্রেমপত্র কেমন হতে পারে? পড়ে নিন। জেনে নিন।
নিজের পত্রিকা নিজেই ফেরি করে বেড়ান। হাসিমুখে অন্যদের হাসিয়ে যান। এমনই এক চরিত্রকে তুলে ধরলেন পারিজাত সেন।
এত বছর ধরে ভারতী ঘোষ এই সমস্ত কাণ্ড চালিয়ে গেলেন। তাঁর ঊর্ধ্বতন অফিসারেরা এতদিন কী করছিলেন? কার সাহসে, কার ‘অনুপ্রেরণা’য় এতটা বেপরোয়া হয়ে উঠলেন? তাঁদের দিকে কোনও প্রশ্ন উঠবে না? লিখেছেন সুজয় হালদার।।
কলকাতায় জেলা সম্পাদক বাছাইকে ঘিরে চলল ভোটাভুটি। উত্তর ২৪ পরগনায় তেমনটা সম্ভবত হচ্ছে না। এবার জেলা সম্পাদক পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন গৌতম দেব।
একাকী দাঁড়িয়ে জয় গোস্বামী, কেউ চিনতেও পারছেন না। পাশ দিয়ে পেরিয়ে যাচ্ছেন ঋতুপর্ণা। তাঁর সঙ্গে ছবি তোলার কী হুড়োহুড়ি! এ কোন বইমেলা? লিখলেন রাহুল বিশ্বাস।।
কেমন ছিল সেই প্রত্যাবর্তনের দিনগুলো? দাঁতে দাঁত চেপে কীভাবে লড়াই করেছেন? নিজেকে প্রতিনিয়ত কী বলে অনু্প্রাণিত করতেন? চারপাশের চেনা জগৎটা ঠিক কেমন ছিল? এমন অনেক অজানা দিক উঠে আসবে এই আত্মজীবনীতে। সৌরভের আত্মজীবনী নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।।
একদিকে পাইন বন, ভেসে আসছে মেঘের ভেলা। ওদিকে শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা। সেও ডাকছে হাতছানি দিয়ে। এমনই এক জায়গা থেকে মুগ্ধতামাখানো চিঠি। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।