সেই সুশান্তরঞ্জন উপাধ্যায়কে মনে আছে? ঠিক ধরেছেন, আগের পুরভোটে তিনিই ছিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। প্রথমে বলেছিলেন, কোথাও সন্ত্রাস হয়নি। পরে সন্ত্রাস কাকে বলে, নিজে হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছিলেন। সেই সময় তাঁকে লেখা একটি খোলা চিঠি। ফের তুলে আনা হল বেঙ্গল টাইমসে।
আরও একটি রক্তাক্ত পুরভোট। যথারীতি এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কার্যত নীরব দর্শক। ঠিক দেড় বছর আগের পুরভোটও এভাবেই রক্তাক্ত হয়েছিল। রাতারাতি নির্বাচন কমিশনার করা হয়েছিল আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেই সময়ের একটি লেখা। আলাপন, বাংলাটাই ভুলে গেলেন। আবার তুলে ধরা হল বেঙ্গল টাইমসে। যাঁরা তখন পড়েননি, এখন পড়ে দেখতে পারেন।
অম্লান রায়চৌধুরী বেল পাকলে যেমন কাকের কী। আমাদের অবস্থাটাও অনেকটাই সেইরকম। পুর নির্বাচন মানে, খালি প্রচার--অতি পরিচিত ভঙ্গি- সাধারণ নাগরিকরা স্বভাবতই নিরুৎসাহ- সব মিলিয়ে একটা অযথা সময় কাটানোর মহোৎসব- এই...