ধন্যবাদটাও জানানো উচিত
ওই মোমবাতির কাছে ম্লান সব আলোর রোশনাই
কেমন আছো অপু ?
দেখতে দেখতে ৬০ বছর হয়ে গেল পথের পাঁচালীর। বিভূতিভূষণের মৃত্যু! তাও হয়ে গেল ৬৫ বছর।এখন কোথায় আছে, কেমন আছে সেই অপু? যদি বিভূতিবাবুর সঙ্গে তার দেখা হয়ে যায়! তেমনই এক সাক্ষাতের কথা লিখলেন শোভন চন্দ।।
অনন্য এক সন্ধ্যা, ভানুবাবুর সঙ্গে
পুজোর সময় মাত্র কয়েকদিনের জন্য দেশে এসেছিলেন। আবার তিনি মার্কিন মুলুকে। যাওয়ার আগে একটি অনন্য সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার স্মৃতি ভাগ করে নিলেন মধুজা মুখোপাধ্যায়।
রিল বনাম ডিজিটাল
সাবেকিয়ানার সঙ্গে আধুনিকতার বিরোধ আবহমানকাল ধরেই। ক্যামেরার ক্ষেত্রেও এই লড়াই তুঙ্গে। রিল ক্যামেরা বনাম ডিজিটাল ক্যামেরার দ্বন্দ্বের কথা শুনে ফেললেন অয়ন দাস।।
কমরেড, বয়কট কেন ?
অহিংসা মানে কাপুরুষতা নয়
প্রযুক্তির হাত ধরে অপুর পুনর্জীবন
একেবারে নুতন আঙ্গিকে পথের পাঁচালি। আধুনিক, ঝকঝকে প্রিন্ট। হলের ভেতর প্রায় সবাই মার্কিন নাগরিক। তাঁরা না বোঝেন বাংলা, না চেনেন নিশ্চিন্দিপুর। তবু তাঁদের চোখ ছলছল। মার্কিন মুলুকে অপু-দুর্গা আর কাশফুল দেখার সেই অনুভূতির কথা বেঙ্গল টাইমসের জন্য তুলে ধরলেন মধুজা মুখোপাধ্যায়।
কমরেড, হাততালি ফিরিয়ে নেবেন!
আমাদের আর কেউ চিনুক আর না চিনুক, মুখ্যমন্ত্রী ঠিক চিনেছেন। বুঝেছেন, উচ্ছিষ্টই আমাদের প্রাপ্য। বুঝেছেন, যে হাততালি একবার দিয়ে ফেললাম, সেই হাততালিই আমাদের দিয়ে যেতে হবে। দাসত্বের আর আত্মকেন্দ্রীকতার সেই তালি থেকে আমাদের মুক্তি নেই।
ডি এ বিতর্ক নিয়ে ভিন্নধর্মী লেখা অমিত ভট্টাচার্যর।
