কোথায় গেল সুমনের সেই বিপ্লব! একের পর এক লোপ্পা বল দিয়ে গেলেন। দিদিমণিও মনের সুখে রান করে গেলেন। ক্রিকেটের স্পট ফিক্সিংয়ের মতোই একটা ইন্টারভিউ। বোঝা গেল, শুধু মোদিবাবু বা সিবিআই নয়, আনন্দবাবুদের সঙ্গেও দিব্যি সেটিং করা যায়। লিখেছেন বিপ্লব গুপ্ত।।
একটি এঁড়ে বাছুর হল। নাম রাখতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে। এমন আর্জি জানিয়ে চিঠি লিখলেন রাজ্যের এক মন্ত্রী। বিস্তারিত জানতে হলে পড়ুন। মিডিয়া সমাচারে সঙ্গে দেওয়া হল খবরের লিঙ্ক।
হঠাৎ পুলিশ তৎপর হয়ে উঠছে অ্যালকেমিস্টের বিরুদ্ধে। কেডি সিং এখন খুব খারাপ। আর সহব জেনেশুনেও যাঁরা তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠালেন, তাঁরা খুব ভাল। লিখেছেন মৃন্ময় নাথ।।
যাঁরা অনেকদিন রবীন্দ্র সদন বা নন্দন চত্বরে যাননি, একবার ঘুরে আসুন। তাহলেই জানতে পারবেন এই সব ভবন কে নির্মাণ করেছেন। ফলক দেখে চমকে যাবেন না। লিখেছেন রবি কর।।
সিপিআইয়ের তবু নাম আছে। শতাংশের বিচারে সিপিএমের নামটাই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এত বড় উত্তরপ্রদেশে, গোটা রাজ্যে ভোট এক লাখেরও কম। অন্যের সমালোচনা না করে বাম নেতৃত্ব বরং আত্মসমালোচনা করুন। লিখেছেন সব্যসাচী কুণ্ডু।।
এক বিধায়ক একটা তালিকা ধরিয়ে দিলেন। শিক্ষামন্ত্রী গড়গড় করে পড়ে গেলেন। তালিকাটা নতুন না পুরনো, ভাল করে যাচাইও করলেন না। যদি নতুনও হত, তবু শিক্ষামন্ত্রীর চেয়ারে বসে এমন তালিকা ঘোষণা করা যায়? এমন যাঁর বোধবুদ্ধি, তিনি কিনা রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী! লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
কার্যত নিঃশব্দেই একটি বিল পাস হয়ে গেল। ভাবী শিক্ষকদের পায়ে চুপি চুপি শিকল পরিয়ে দেওয়া হল। কোনও হইচই নেই, আন্দোলন নেই, প্রতিবাদ নেই। কী মারাত্মক একটা বিল বিধানসভায় পাস হয়ে গেল, বিরোধীরা ঠিকঠাক বুঝতেও পারলেন না! লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
স্মৃতিটুকু থাক আমি তখন ক্লাস টেনে পড়ি। বাবা রোজ সকালে উঠে রেডিওতে প্রাত্যহিকী শুনতেন। আমিও পড়ার ফাঁকে ফাঁকে শুনতাম। একের পর এক অসাধারণ চিঠি। সকালটা যেন সুন্দর হয়ে যেত। কী...
ধমক দেখিয়ে, সেই বৈঠকের লাইভ টেলিকাস্ট দেখিয়ে, সস্তা বাহবা পাওয়া যায়। যাচ্ছেও। সরকারি হাসপাতাল ও পরিষেবা সম্পর্কে চূড়ান্ত অনাস্থা থেকেই মানুষ নার্সিংহোমে যাচ্ছেন। আগে এই সহজ সত্যিটা স্বীকার করুন। অন্যদের ধমক দেওয়া আগে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আত্মসমীক্ষা করুন। লিখেছেন ধীমান সাহা।
বিচার পক্রিয়া যেহেতু শেষ হয় নাই, উদয়নদা লোক হিসাবে খারাপ একথা হলফ করে বলিতে পারি না। খবর অনুযায়ী তিনি এখন অব্দি মাত্র তিনজন-আপন পিতা, মাতা ও স্ত্রী কে খুন করিয়াছেন। তা বেশ করিয়াছেন, নিজের লোকদের জীবন নিয়ে উনি যা খুশি করিতেই পারেন–তুমি বলিবার কে হে বাছা? অসাধারণ এক রম্যরচনা। লিখেছেন সন্দীপ লায়েক।।