অ্যায় মেরে ওয়াতন কে লোগো
২৬ জানুয়ারি মানেই বেজে উঠবে সেই গান। আমাদের পাড়ায়, আমাদের হৃদয়ে সেই একই গানের অনুরণন। সেই গান নিঃশব্দে পেরিয়ে গেল ৫৭ বছর। সেই গানের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অনেক অজানা দিক তুলে ধরলেন বৃষ্টি চৌধুরি।
২৬ জানুয়ারি মানেই বেজে উঠবে সেই গান। আমাদের পাড়ায়, আমাদের হৃদয়ে সেই একই গানের অনুরণন। সেই গান নিঃশব্দে পেরিয়ে গেল ৫৭ বছর। সেই গানের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অনেক অজানা দিক তুলে ধরলেন বৃষ্টি চৌধুরি।
গ্রীষ্মকালের দিনে তখন স্কুল ছুটি। বাড়িতে সবাই জানালা-দরজা বন্ধ করে ভাতঘুম দিচ্ছে। সেই দুপুর রোদে চুপি চুপি বাড়ি থেকে বেরিয়ে আম কুড়োতে যেতাম। সঙ্গে নিয়ে যেতাম নুন লঙ্কাগুঁড়ো। আমগাছ মহাশয় খুব সদয় ছিলেন। আমার জন্য বেশ কিছু আম গাছের তলায় ছড়িয়ে রাখতেন। সেই আমগুলো দেওয়ালে ঘষে ঘষে তার ছাল চামড়া উঠিয়ে দিতাম। আশে পাশেই প্রচুর পলাশ গাছ ছিল। তারা তখন আমাদের মতোই একদম কচি। পলাশ পাতার ওপর আমগুলো নুন লঙ্কা দিয়ে মেখে খেতাম। এখন মনে পড়লেই জিভে জল আসে।
সারাদিন একটাও ছবি তোলা ছিল না। এসএমএস বা হোয়াটসঅ্যাপ নামক শব্দগুলোও ডিকশেনারিতে ছিল না। মাঝে মাঝে মনে হয়, সেইদিনগুলোই বেশ ছিল। লোকগানের সুরেই বলতে ইচ্ছে করে, ‘আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম।’
মদনমোহন মিষ্টির নামটা প্রথম শুনি ২০০৯ সালে, পুরীর সমুদ্রের ধারে, সমুদ্র স্নান সারার ঠিক পর। পাড়ের দিকে চোখ পড়তেই চির পরিচিত দৃশ্য, বাঁক কাঁধে হাঁড়ি হাঁড়ি মিষ্টি নিয়ে মিষ্টিওয়ালার হাঁক। হাঁড়িতে উঁকি মারতেই জীবনে প্রথম দেখা পেলাম মদনমোহনের। নামের তাৎপৰ্য ঠিক জানা নেই। তবে আন্দাজ করছি মিষ্টির আকার অনেকটা শ্রীকৃষ্ণের ছোটোখাটো একটা বাঁশির মতো। আর সেখান থেকেই হয়ত নাম হয়েছে মদনমোহন।
তোমার জীবনের লক্ষ্য কী? মামা অনেকের কাছেই জানতে চাইতেন। অনেক সময় ক্লাসেও জানতে চাইতেন। কখনও আবার একান্তেও জানতে চাইতেন। অর্থাৎ, সেই ছাত্রর কোন বিষয়ে আগ্রহ, সেটা বুঝতে চাইতেন। ছাত্রের সেই ইচ্ছেকে সম্মান জানাতেন। উৎসাহিত করতেন।
তখন এসডিও সাহেব স্যারকে প্রণাম করে বললেন, ‘আমাদের অনেক জায়গায় যেতে হয়। অনেক স্কুলেই স্ট্রং রুম নিতে হয়। আজ আপনি আমার চোখ খুলে দিলেন। আমরা এতদিন স্কুলকে স্ট্রং রুম হিসেবেই দেখে এসেছি। এটা যে স্কুল, এই জিনিসটা মাথাতেও আনি না। আজ আপনি আমাকে একটা শিক্ষা দিলেন। নিজের স্কুলকে কীভাবে ভালবাসতে হয়, আপনার কাছ থেকে শিখলাম। সব স্কুলে যদি আপনার মতো একজন শিক্ষক থাকেন, শিক্ষার চেহারা বদলে যাবে। আমি আপনাকে কথা দিচ্ছি, আপনার স্কুলের কোনও ক্ষতি আমি হতে দেব না। গণনার পর আমি নিজে আবার আসব। দেখে যাব। যদি কোথাও কোনও ক্ষতি হয়, সব দায়িত্ব আমি নিলাম।’
একদিকে ডায়মন্ডের হুঙ্কার। অন্যদিকে, বাইচুংয়ের হ্যাটট্রিক। অমল দত্ত আর পিকে ব্যানার্জির সেই বাগযুদ্ধ। সেদিন যুবভারতীর গ্যালারিতে ১ লাখ ৩১ হাজার দর্শক। যা ভারতীয় ফুটবলে নজির হয়েই থেকে গেছে। সেই ডার্বির ২৫ বছর। আলো ফেললেন রজত সেনগুপ্ত।