মহালয়া! না করলেই পারতেন মহানায়ক
একবারই মহালয়া করেছিলেন উত্তম কুমার। সঙ্গীত পরিচালক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? কেন ক্ষমা চাইতে হল আকাশবাণীকে ? এসব অজানা কথা উঠে এল দিব্যেন্দু দে-র কলমে। সঙ্গে সেই মহালয়ার ইউ টিউব লিঙ্ক।
একবারই মহালয়া করেছিলেন উত্তম কুমার। সঙ্গীত পরিচালক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? কেন ক্ষমা চাইতে হল আকাশবাণীকে ? এসব অজানা কথা উঠে এল দিব্যেন্দু দে-র কলমে। সঙ্গে সেই মহালয়ার ইউ টিউব লিঙ্ক।
হয়ত শিরোনাম দেখে অনেকে অবাকই হবেন। কিন্তু আমার মনে হয়, এইমুহূর্তে এটাই জরুরি। আমরা ছোট বেলা থেকেই গ্রামের স্কুলে পড়াশোনা করেছি। কোনও কোনও স্যার থাকতেন, যাঁরা মারধর করতেন। আমরা ভয় পেতাম। কী জানি, সেই কারণেই হয়ত তেমন দুষ্টুমি করতাম না।
শ্রাবণ মাস পড়ে গেল। শ্রাবণ মানেই বৃষ্টি। একটি বৃষ্টির দিনের কথা বলি। তখন আমাদের অল্প বয়স। বৃষ্টিকে পরোয়া করতাম না। বৃষ্টির মাঝেই খেলতাম। ক্রিকেটটা খেলা যেত না (তাছাড়া, তখন শীতকাল ছাড়া ক্রিকেট সেভাবে হতও না)। তবে ফুটবলটা দিব্যি খেলা যেত।
আমরা গর্ব করে বলি, আমাদের একটা গাভাসকার ছিল। এই গর্ব আজীবন বয়ে বেড়াতে চাই। আমরা শচীন, কোহলিকে ভালবাসি। তাঁদের জন্যও গর্ব করি। কিন্তু শ্রেষ্ঠত্বের প্রশ্ন এলে চোখ বুজে মনে পড়ে দশ হাজার রানের সেই দৌড়টা। লিখেছেন সবুজ সরকার।
সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবার বিশ্বকাপে খেলবে না! এখনও মন থেকে মেনে নিতে পারছি না। গতবারও তাদের কোয়ালিফাইং রাউন্ডে খেলেই উঠে আসতে হয়েছিল। এমনকী দশ দলের মধ্যে ছিল ন’নম্বরে। তবু তো তারা ছিল। তবু তো মনে হচ্ছিল, লয়েড, রিচার্ডস, লারাদের উত্তরাধিকারীরা আছেন। ক্রিস গেল একটা ছক্কা মারলেই কেমন একটা ভাল লাগা তৈরি হত। কৈশোরের সেই দিনগুলো যেন একটু হলেও উকি দিয়ে যেত। এবার কেমন যেন একটা শূন্যতা নেমে আসবে। এই প্রজন্ম হয়ত বুঝবেও না, ওয়েস্ট ইন্ডিজ মানে আসলে কী। কিন্তু আমার মতো অনেকেই আছেন, যাঁরা একসময় রিচার্ডস–মার্শালদের ভালবেসেছিলেন। তাঁদের কাছে এবারের বিশ্বকাপ যেন অনেকটাই বর্ণহীন।
কফিহাউসের সেই গান পেয়েছে অমরত্ব। কিন্তু কফিহাউস সিরিজের আরও একটা গান গেয়েছিলেন মান্না দে। সেই গান কোথাও শোনা যায় না। মান্না দে-র জন্মদিনে হারিয়ে যাওয়া সেই গানের কথা তুলে আনলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
সরস্বতী মানে কি শুধুই মেয়েদের শাড়ি পরা আর ছেলেদের মেয়ে দেখা? তার বাইরেও আরও অনেককিছু। পরের দিন অরন্ধন। যৌথ পরিবারে সে যেন এক মহারন্ধনের কর্মযজ্ঞ। ফেলে আসা সময়ে উকি দিয়ে টুকরো টুকরো মুহূর্তগুলো ফিরে দেখা। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।