মোবাইলেও শুনতে পারেন প্রাত্যহিকী

অনেকের বেড়ে ওঠার সঙ্গেও জড়িয়ে আছে প্রাত্যহিকী। এফ এম এল, কলকাতা ক কোথায় যেন হারিয়ে গেল। প্রাত্যহিকীর সেই চিঠিগুলো স্মৃতি হয়েই থেকে গেল। আবার ফিরে এসেছে সেই হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তগুলো। মোবাইলেই শুনতে পারেন প্রাত্যহিকী। কীভাবে?‌ হদিশ বেঙ্গল টাইমসে।

শ্রীকান্তর পঞ্চম খণ্ড কেন যে লিখলেন না!‌

তখন সিরিয়াল ছিল না। বই ছিল। খিড়কি থেকে সিংহদুয়ারের চৌহদ্দিতে আটকে থাকা মা–কাকিমাদের কাছে সেটাই ছিল অক্সিজেন। অলস দুপুরে মা–‌কাকিমা আপনার লেখা নিয়েই আলোচনা করেছে। তর্ক করেছে। বাঙালির চিরাচরিত পিএনপিসি!‌ তাও সেই আপনার লেখা নিয়েই। লিখেছেন অন্তরা চৌধুরি।

চলো না দিঘার সৈকত ছেড়ে

অনেক টুকরো টুকরো স্মৃতি জমে থাকে জীবনে। দিনগুলো হারিয়ে যায়। স্মৃতিটা থেকেই যায়। সুখস্মৃতি হয়ে বারবার ফিরে আসে। তেমনই কিছু অনুভূতি উঠে আসছে স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে। দেখুন তো, আপনার অনুভূতির সঙ্গে মেলে কিনা।

সেই ছাতা ফেরত দেওয়াই হল না

স্মৃতিটুকু থাক। সেলিব্রিটি নয়, আপনার কথা। পাঠকদের নানা অনুভূতির কথা উঠে আসবে এই ফিচারে। কোথাও অতীতকে একটু ছুঁয়ে দেখা। কোথাও হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর কথা। ছোটবেলার ভুল, যা আজও তাড়া করে বেড়ায়। সেসব একান্ত ব্যক্তিগত অনুভূতি উজাড় করে দিন। আজ একটি ছাতা ও এক মাস্টারমশাইয়ের কাহিনি।

বইমেলার সেই দুপুরে

আমি কিছুক্ষণ পিছু নিলাম। কিন্তু ডাকার সাহস পেলাম না। কী জানি, কী মনে করবে! যদি অস্বস্তিতে পড়ে যায়! মাঝে প্রায় চোদ্দ–পনেরো বছর পেরিয়ে গেছে। সময়ের আয়নায় ধুলো জমে গেছে। তবু পাঁচবছর আগের সেই বইমেলার দুপুরটা বড় বেশি করে মনে পড়ে। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে বইমেলার কিছু টুকরো টুকরো স্মৃতি।

ছোট্ট টুকাই ও সেই টিয়া পাখি

অদ্ভুত একটা বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল ওদের মধ্যে। টুকাই কথা বলতে পারত না। কিন্তু পাখিটা অনর্গল ওর সঙ্গে কথা বলে যেত। কী বলত, তা শুধু সেই পাখিটাই জানে। কী জানি, হয়ত টুকাইও জানত। মাঝে মাঝে ভাবি, এত মানুষ থাকতে ওই পাখিটা শুধু টুকাইয়ের কাছেই কেন আসত ? স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে উঠে এল এমনই এক ছবি।

ফেসবুকে ফিরে এল হারিয়ে যাওয়া প্রাত্যহিকী

অনেকের বেড়ে ওঠার সঙ্গেও জড়িয়ে আছে প্রাত্যহিকী। এফ এম এল, কলকাতা ক কোথায় যেন হারিয়ে গেল। প্রাত্যহিকীর সেই চিঠিগুলো স্মৃতি হয়েই থেকে গেল। আবার ফিরে এসেছে সেই হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তগুলো।

দক্ষিণের তিন সৈকত

ভারতের দক্ষিণে তো আছেই। বাংলার দক্ষিণেও আছে সমুদ্র। বকখালি, ফ্রেজারগঞ্জ, হেনরি আইল্যান্ডে অনেকেরই পা পড়েনি। এই তিন সৈকত নিয়ে পড়ে নিন চমৎকার একটি লেখা। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।।

নীল নবঘনে

একদিকে প্রবল
বৃষ্টি, আর অন্যদিকে তেমনি বাজ পড়ত। নিজের মনের ভেতরেই কেমন যেন বিদ্রোহ করে উঠত। শুধু ভাবতাম, রবি ঠাকুর বারবার করে এদেরকে বাড়ির বাইরে যেতে নিষেধ করেছে, তাও যে এরা আজকে কেন মাঠে এল কে জানে!

এটা আবার বিশ্বকাপ নাকি!‌

যাই বল বাপু, আমাদের সেই সময়টা অনেক ভাল ছিল। চার বছর অন্তর একবারই মারাদোনা, রোমারিওদের দেখতে পেতাম। ক্লাবের মেসি ভালো না দেশের মেসি- এই বিতর্কের সুযোগই ছিল না। যা দেখতাম তাই অমৃত।আরে বাবা কষ্ট না করলে কেষ্ট মেলে? আমরা কষ্ট করতাম তাই আমাদের মারাদোনা ছিল, জিকো, প্লাতিনি ছিল। তাদের পাশে তোদের এই মেসি-রোনাল্ডো-নেইমার?