অনেকের বেড়ে ওঠার সঙ্গেও জড়িয়ে আছে প্রাত্যহিকী। এফ এম এল, কলকাতা ক কোথায় যেন হারিয়ে গেল। প্রাত্যহিকীর সেই চিঠিগুলো স্মৃতি হয়েই থেকে গেল। আবার ফিরে এসেছে সেই হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তগুলো। মোবাইলেই শুনতে পারেন প্রাত্যহিকী। কীভাবে? হদিশ বেঙ্গল টাইমসে।
অনেকের বেড়ে ওঠার সঙ্গেও জড়িয়ে আছে প্রাত্যহিকী। এফ এম এল, কলকাতা ক কোথায় যেন হারিয়ে গেল। প্রাত্যহিকীর সেই চিঠিগুলো স্মৃতি হয়েই থেকে গেল। আবার ফিরে এসেছে সেই হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তগুলো।
মাথার মধ্যে কবিগুরুর “মেঘদূত” ঝলকানি দিতে দিতে বলে গেল “মিলনের প্রথম দিনে বাঁশি কী বলেছিল। সে বলেছিল, সেই মানুষ আমার কাছে এল যে মানুষ আমার দূরের।” মোবাইলে আমার অজান্তেই কখন পান্ডোরা রেডিও চ্যানেলে উস্তাদ আমজাদ আলি খান মিঞা মল্লারের ঝড় তুলেছেন! লিখেছেন মধুজা মুখোপাধ্যায়।।
অনেক টুকরো টুকরো স্মৃতি জমে থাকে জীবনে। দিনগুলো হারিয়ে যায়। স্মৃতিটা থেকেই যায়। সুখস্মৃতি হয়ে বারবার ফিরে আসে। তেমনই কিছু অনুভূতি উঠে আসছে স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে। দেখুন তো, আপনার অনুভূতির সঙ্গে মেলে কিনা।
বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ— খোলা চিঠি। রাজনীতি, খেলা, সাহিত্য, সিনেমা, ভ্রমণ সহ নানা বিভাগ উঠে এসেছে এই চিঠিপত্রের মাধ্যমে।
কোনও নানা জগতের দিকপালদের চিঠি। কখনও অন্য কাউকে চিঠি, যার মধ্যে দিয়ে নিজের অনুভূতিকে মেলে ধরা।
সেই ডাকপিওন। নিঃশব্দে হাতে চিঠি দিয়ে যেতেন। কত বিড়ম্বনার হাত থেকে বাঁচিয়েছেন। এমন মাধবকাকুরা হারিয়ে যাচ্ছেন। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে উঠে এল সেই অনুভূতি। দেখুন তো, আপনার অনুভূতির সঙ্গে মেলে কিনা।
নিজের পত্রিকা নিজেই ফেরি করে বেড়ান। হাসিমুখে অন্যদের হাসিয়ে যান। এমনই এক চরিত্রকে তুলে ধরলেন পারিজাত সেন।
কে কীভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন? সাহিত্যিক থেকে বিজ্ঞানী, খেলোয়াড় থেকে শিল্পী। এমন অনেকের জীবনের সাফল্যের কাহিনি।
আগে রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে লোককে কথা বলতে দেখা যেত। এখন কথা বলার দৃশ্য তেমন একটা দেখা যায় না। সবাই ঘাড় গুঁজে মোবাইলে কী যেন দেখে চলেছে। খুটখাট করে কী যেন লিখে চলেছে।
বোকা বোকা সেলফি দেখলে লাইক মারা বন্ধ করুন। ওই লাইকগুলোই তাদের আরও বোকা বানিয়ে দিচ্ছে। যদি আপনি লাইক মেরে থাকেন, তাহলে জানবেন, সেই বোকামির ভাগীদার আপনিও। লিখেছেন তৃষাণ সেনগুপ্ত।।