যাঁরা কয়েকমাসের জন্য এসেছেন, তাঁদের কথা বলছি না। কিন্তু যাঁরা বহু বছর ধরে এখানে আছেন, যাঁদের এখানেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা, তাঁরাও বাংলায় কথা বলেন না। বরং আমরা আদিখ্যেতা করে তাঁদের সঙ্গে হিন্দিতে কথা বলি। অনেক হয়েছে। এবার এটা বন্ধ হওয়া দরকার। একটা কড়া বার্তা পৌঁছে দেওয়া দরকার।বিশেষ প্রতিবেদন।
ভোরে উঠতে হবে বলে বেশি চাপ নেবেন না। রাতে যদি বারবার এটাই ভাবতে থাকেন, তাহলে ঠিকঠাক ঘুম হবে না। বরং ভাবুন, না উঠলেও মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে না। নিজেকে হালকা রাখুন।
শীত হোক বা গ্রীষ্ম, ভোরে ওঠাটা সবসময়ই বেশ কঠিন ব্যাপার। অনেকেই অ্যালার্ম দেন, কিন্তু উঠতে পারেন না। কিন্তু ভোরে উঠতে শুরু করলে তখন দেখবেন ভোরটা সত্যিই সুন্দর। সবাইকে উঠতেই হবে, এমন নয়। কিন্তু যাঁরা উঠতে চান, অথচ উঠতে পারেন না, তাঁদের জন্য কয়েকটি প্রয়োজনীয় পরামর্শ।
ফেলে আসা দিন মানেই একটা নস্টালজিয়া। টুকরো টুকরো কত স্মৃতির ভিড়। জীবনে যত ব্যস্ততাই আসুক, সেই স্মৃতিগুলো হারিয়ে যাওয়ার নয়। ফিরে ফিরে ঠিক এসে যায়। আর একটু অবসর পেলে তো...
অধিকাংশ বাড়িতেই সেই সময়ে ফ্রিজ ছিল না। কাজেই, এমন সব খাবার তৈরি করা হত, যা অনায়াসেই কয়েক মাস রাখা যায়। আসলে, তখন বাড়ির কাকিমা–জেঠিমাদের জীবনে অঢেল সময় ছিল। সিরিয়াল নামক ‘বঙ্গ জীবনের অঙ্গ’টি তাদের দুপুর ও সন্ধেগুলো কেড়ে নেয়নি। অন্যদের খাইয়েই তারা আনন্দ পেত।
অন্তরা চৌধুরি আমানি…। কাব্যে এক উপেক্ষিত পানীয়। আগের পোস্টে তেলপোড়া নিয়ে লেখাটা আপনাদের খুব ভালো লেগেছিল। সেইজন্য সকলকে ধন্যবাদ। কিন্তু এই তেলপোড়ার প্রসঙ্গেই অনেকে জানতে চেয়েছেন আমানি কী জিনিস? অধিকাংশ...
হাঁটছেন, কিন্তু মেদ ঝরছে না। তাহলে, কোথায় ত্রুটি? কীভাবে হাঁটবেন ? বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে লিখলেন বৃষ্টি চৌধুরি।।
লোকে চিঠি লিখতেই ভুলে গেছে। কিন্তু ভোরে উঠে যদি চিঠি লেখেন, তাহলে কেমন হয়? এই নিয়ে লিখেছেন মনোবিদ কুণাল সাহা।
লোকে চিঠি লিখতেই ভুলে গেছে। কিন্তু ভোরে উঠে যদি চিঠি লেখেন, তাহলে কেমন হয়? এই নিয়ে লিখেছেন মনোবিদ কুণাল সাহা।
সময়ের কাজ সময়ে করতে পারি না। বাকির পাহাড় জমে যায়। কীভাবে সময়কে কাজে লাগানো যায়? আসুন, কয়েকটা জরুরি পরামর্শে চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক।