নিজের ঘুরে আসার কথা, নিজেই লিখুন

আপনার ঘুরে আসার কাহিনী অন্যদের জানাতে ইচ্ছে করছে?‌ সেই অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে চান?‌ এই লেখাটি পড়ুন। হয়ত সেই সুপ্ত ইচ্ছেটা জেগে উঠতে পারে।

নীল নির্জনে মুকুটমণিপুর

শীতের অলস রোদ গায়ে মেখে নীল নির্জনে কয়েকটা দিন। খুব দূরে নয়, কাছেই মুকুটমণিপুরে। ব্যস্ততা ভুলে নিখাদ হারিয়ে যাওয়া। আড্ডা, খুনসুটি মাখানো সেই সফর। উঠে এল সন্দীপ লায়েকের কিবোর্ডে।

পরিবেশপ্রেমী?‌ মোটেই না, এঁরা আসলে মামলাবাজ

বাঙালি আর ডুয়ার্সে যেতে পারবে না?‌ সব বাংলো ভেঙে ফেলতে হবে?‌ পরিবেশ রক্ষার নামে এ কেমন অনাচার?‌ আর যাই হোক, এঁদের পরিবেশপ্রেমী বলা যায় না। এঁরা মামলাবাজ, এটাই বড় পরিচয়। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

ডুয়ার্স নিয়ে মাথাব্যথাই নেই!‌

আমরা পাহাড় নিয়ে যতটা ওয়াকিবহাল, ডুয়ার্স নিয়ে ততটাই যেন উদাসীন। সব হোটেল, লজ ভেঙে ফেলতে হবে। এমন রায়ের কথা অধিকাংশ পর্যটক জানেনই না। মিডিয়ারও কোনও মাথাব্যথা নেই। তাঁদের যত চিন্তা, দার্জিলিংকে নিয়েই। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।

দাও ফিরে সে ঝাউবন, লহ এ ‘‌উন্নয়ন’‌

উন্নয়নের নামে সব জায়গায় কংক্রিটের মিছিল। কৃত্রিম একটা সৌন্দর্যায়ন হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু হারিয়ে যাচ্ছে ঝাউবন, কাঁকড়া। এতকিছু নিয়ে মিছিল হয়। পরিবেশ বাঁচানোর দাবিতে একটা মোমবাতি মিছিল হতে পারে না?‌ লিখেছেন সন্দীপ লায়েক।।

দার্জিলিং মানে কি শুধুই দার্জিলিং?‌

বাঙালির মন খারাপ। সে দার্জিলিং যেতে পারছে না। যদি গুরুংরা আবার হামলা করে!‌ আরে বাবা, দার্জিলিং মানে কি শুধুই দার্জিলিং?‌ পাহাড়ের আনাচে কানাচে কত অজানা গ্রাম, অজানা ঠিকানা আছে, খোঁজ নিয়েছেন?‌ একটু খোঁজ নিন, ঘুরে আসুন। গুরুংরা যতই বনধ ডাকুক, পাইনের ফাঁক দিয়ে মেঘ ঠিক ভেসে বেড়াবে।

জোয়ারে কাছে, ভাটায় দূরে

জোয়ারে সমুদ্র কাছেই থাকে, কিন্তু ভাটা এলেই অনেকদূরে পালিয়ে যায়। এমনই এক সৈকত ওড়িশার চাঁদিপুর। আমাদের বাংলাতেও এমনই এক সৈকত আছে। চাইলে দু–‌তিনটে অলস দিন কাটিয়ে আসতেই পারেন। তাই নিয়েই বিশেষ প্রতিবেদন।।

বাঙালি আর পশ্চিমে যায় না

বাঙালি একসময় পশ্চিমে যেত। সেই পশ্চিম মানে পাশ্চাত্য নয়। আশেপাশের শিমুলতলা, মধুপুর, তোপচাঁচি। এখন বাঙালি সেসব ঠিকানা ভুলেই গেছে। মনে করিয়ে দিলেন অভিরূপ কুমার।

আইজলের কাছ থেকে আমরা কি কিছু শিখলাম!‌

ছোট্ট একটি রাজ্য। তারা কিনা ফুটবলে ভারতসেরা!‌ কত বার্তাই না দিয়ে গেল আইজল এফ সি। কিন্তু আমরা কি তাদের কাছ থেকে কিছু শিখলাম!‌ লিখেছেন প্রসূন মিত্র।।

বাঘের ডেরায় থাকতে চান?‌

আপনি চাইলে বাঘেদের ডেরায়, জঙ্গলের মাঝেই থাকতে পারেন। বিছানা থেকে বাঘের ডাকের লাইভ কভারেজ। শিউরে উঠছেন?‌ তাহলে একবার ঘুরেই আসুন বান্ধবগড় থেকে। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।