হাতিকে বোকা বানানো এতই সহজ!
রেলকর্তারা ভেবেছিলেন, হাতিকে বোকা বানাবেন। উল্টে হাতিই তাঁদের বোকা বানিয়ে বসে আছে। এত তাড়াতাড়ি এমন ব্যুমেরাং হবে, রেলকর্তারা ভাবতেও পারেননি।
রেলকর্তারা ভেবেছিলেন, হাতিকে বোকা বানাবেন। উল্টে হাতিই তাঁদের বোকা বানিয়ে বসে আছে। এত তাড়াতাড়ি এমন ব্যুমেরাং হবে, রেলকর্তারা ভাবতেও পারেননি।
বাংলার পাহাড় বলতে আমরা বুঝি শুধু দার্জিলিং। অথচ, কত অজানা ঠিকানা আছে, যেখানে মেঘ গাভীর মতো চরে। আমরা কি এমন ঠিকানা অন্যদের কাছে তুলে ধরতে পারি না? এই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।
মাইলের পর মাইল হেঁটে যান চা বাগানের মাঝ দিয়ে। এই গরমে একটু হিমেল হাওয়া, একটু ভেসে বেড়ানো মেঘ। ভিনদেশ বা ভিনরাজ্য নয়, একেবারেই মিরিকের লাগোয়া ছোট্ট গ্রাম তাবাকোশি। সন্ধান দিলেন ভুবন সোম।।
শীত বিদায় নিয়েছে আগেই। ‘বসন্ত এসে গেছে’ বলে যতই আদিখ্যেতা করুন, এ আসলে গরমেরই ট্রেলার চলছে। এই সময় যদি সিকিমের ছোট্ট পাহাড়ি জনপদ থেকে ঘুরে আসা যায়! আপনার আদর্শ ঠিকানা হয়ে উঠতে পারে রাবাংলা। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।
কুয়াশাঘেরা দার্জিলিংয়ের ছবি তো হামেশাই দেখা যায়। কিন্তু এ যেন বরফের চাদরে ঢাকা দার্জিলিং। শিলাবৃষ্টি যে এমন সুযোগ এনে দেবে, কে জানত!
আপনি বসে আছেন কাচের কামরায়। চারপাশে গভীর জঙ্গল। মাথার ওপর খোলা আকাশও দেখতে পারেন অনায়াসেই। শিলিগুড়ি থেকে আলিপুরদুয়ারে এমনই পরিষেবা চালু করতে পারে রেল। পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে চলেছে ডুয়ার্স। বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদন।
আপনি গেলেন ওপার বাংলার সুন্দরবনে। গভীর জঙ্গলে, উত্তাল নদীতে টানা সাতদিন আপনার সফরসঙ্গী ফেলুদা। মানে, সব্যসাচী চক্রবর্তী। এমনই সুযোগ এনে দিচ্ছে এক পর্যটন সংস্থা।
রোজ নাকি শীতলতম দিন। আরে বাবা, একটা বছরে কটা শীতলতম দিন হয়? অথচ, দার্জিলিংয়ের তাপমাত্রা কত, জিজ্ঞেস করুন। আবহাওয়া দপ্তরই জানে না। এই নিয়ে আবহাওয়া অফিসকে একহাত নিলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।
হাতির সঙ্গে মোটেও পাঙ্গা নেবেন না। হাতিকে হাতির মতো থাকতে দিন। সে ক্ষেপে গেলে আর রক্ষে নেই। সে উসান বোল্টের থেকেও জোরে দৌড়তে পারে। চিতাবাঘ পালাতে পারল না, আর আপনি–আমি তো কোন ছার! লিখেছেন রজত বসু।।
একটু একটু করে ছন্দে ফিরছে পাহাড়। শীতের আমেজে বাঙালি আবার পাহাড়মুখী। কত টুকরো টুকরো স্মৃতি সেই দার্জিলিংকে ঘিরে। তাই নিয়েই সন্দীপ লায়েকের লেখা দার্জিলিং ম্যানিয়াক। আজ প্রথম কিস্তি। দ্বিতীয় কিস্তি রবিবার।