এই পথে এক একা হাঁটতেন বিভূতিভূষণ

চারিদিকে পাহাড়। কোথাও ঘন, কোথাও হালকা জঙ্গল। পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে সুবর্ণরেখা। এই পথেই হাঁটতেন বিভূতিভূষণ। দুদিন ছুটি পেলে সেই নির্জন পথে আপনিও হেঁটে আসতে পারেন। গালুডি থেকে ফিরে লিখলেন সন্তু বিশ্বাস।।

সারাটা দিন, মেঘলা আকাশ, বৃষ্টি তোমাকে দিলাম

বৃষ্টির বিরাম নেই। মাধ্যমিকের পর আবার যেন শিরোনামে বাঁকুড়া। কত কিউসেক জল ছাড়ছে মুকুট মণিপুর?‌ এই ভরা জলাশয়ের সান্নিধ্য চাইলে এই সময় ঘুরে আসুন মুকুট মণিপুর থেকে। আর শ্রীকান্তর মতো গেয়ে উঠুন, আমার সারাটা দিন, মেঘলা আকাশ, বৃষ্টি, তোমাকে দিলাম।

বর্ষার হিমাচল, অন্য এক চেহারায়

বর্ষায় অনেকে পাহাড় এড়িয়ে যান। কিন্তু বর্ষাতেও পাহাড়ের আলাদা একটা সৌন্দর্য আছে। দু বছর আগের বর্ষায় হিমাচলে গিয়ে সেই অনুভূতিই মেলে ধরলেন অন্তরা চৌধুরি।

আয় বৃষ্টি ঝেঁপে

ঠান্ডার সময় অনেকে ঠান্ডার দেশেই যান। ঠিক তেমনই যদি বর্ষার সময় জলের দেশেই যাওয়া যায়। কাছেই তো মাইথন। ছোট্ট ছুটিতে বেরিয়ে পড়ুন। বেড়ানোর হদিশ দিলেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।।

ক্যাবের ভাড়ায় লাগাম টানা হোক

ওলাকে নিয়ে দুর্ভোগের শেষ নেই। রাতের দিকে তিনগুণ, চারগুণ ভাড়া বেড়ে যাচ্ছে। ইচ্ছে মতো রাইড বাতিল করছে। ওলা–‌উবের ইচ্ছেমতো ভাড়া নেবে, এটা চলতে পারে না। ভাড়ার একটা নির্দিষ্ট নিয়ম থাকা উচিত। কোথাও একটা লাগাম পরানো দরকার।

আরও কাছাকাছি আসছে শিলিগুড়ি–‌আলিপুরদুয়ার

শিলিগুড়ি থেকে আলিপুরদুয়ার। যাত্রাপথে বেশ কয়েকটি জাতীয় অরণ্য, রয়েছে হাতির করিডোর। এই সব এলাকায় ট্রেনের গতি অনেকটাই কম ছিল। এবার এইসব এলাকায় গতি বাড়াচ্ছে রেল। রেলের দাবি, দুর্ঘটনার তেমন আশঙ্কা নেই। এতে শিলিগুড়ি থেকে আলিপুরদুয়ার যাওয়ার সময় অন্তত দেড় ঘণ্টা কমবে।

‌সেজে উঠছে দার্জিলিং ম্যাল

দার্জিলিং মানেই বাঙালির কাছে এক নস্টালজিয়া। আর দার্জিলিং বললেই প্রথমে যে ছবিটা ভেসে ওঠে, তা হল ম্যাল। এবার সেই ম্যালের চেহারাই বদলে যাচ্ছে। পুজোর সময় যাঁরা পাহাড়ে যাবেন, তাঁরা হয়ত ম্যালকে চিনতেই পারবেন না।

বলিহারি বাঙালির প্রতিভা, জোর করে রাবাংলা বানিয়ে দিল!‌

বাঙালি যেখানে যায়, নিজের মতো করে নাম রেখে আসে। তেমনই একটি জায়গা রাবাংলা। যার সঙ্গে বাংলার কোনও সম্পর্কই নেই। সেই রাবাংলা নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন। এই শীতে ঘুরে আসতেই পারেন।

ঠিকানা কাশ্মীর

মহম্মদ আলতাফ। প্রতিবছর শাল নিয়ে আসেন কাশ্মীর থেকে। জড়িয়ে গেছেন কলকাতার সুখ দুঃখের সঙ্গেও। শীতের কলকাতায় তিনিও এক অতিথি। সেই জীবনযাপন ও অনুভূতি উঠে এল স্ত্রীকে লেখা চিঠিতে। তাঁর বকলমে সেই চিঠি লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

বরফে ঢাকল সান্দাকফু

সুইৎজারল্যান্ডে যেতে হবে না। এমনকী পার্শ্ববর্তী রাজ্য সিকিমেও যেতে হবে না। এই রাজ্যের সান্দাকফুই ঢেকে গেল বরফের চাদরে। সেই ছবি নিমেশে ভাইরালও হয়ে গেল।