গা ছমছমে উত্তরের অ্যামাজনে
ডুয়ার্স মানে ঘন জঙ্গল। আর কিছু জীবজন্তু। কিন্তু তার মাঝে যে এমন গা ছমছমে নদী আছে, কে জানত! এ তো উত্তরের অ্যামাজন। অন্য এক ডুয়ার্সের অভিজ্ঞতা মেলে ধরলেন স্বরূপ গোস্বামী।
ডুয়ার্স মানে ঘন জঙ্গল। আর কিছু জীবজন্তু। কিন্তু তার মাঝে যে এমন গা ছমছমে নদী আছে, কে জানত! এ তো উত্তরের অ্যামাজন। অন্য এক ডুয়ার্সের অভিজ্ঞতা মেলে ধরলেন স্বরূপ গোস্বামী।
খুব দুর্গম নয়, খরচও তেমন নেই। পুরুলিয়া থেকে অনায়াসে বাসে পৌঁছে যেতে পারেন অযোধ্যা পাহাড়ে। একসময় মাওবাদী আতঙ্ক ছিল, এখন তাও নেই। শীতের রোদ গায়ে মেখে ঘুরে আসুন। হদিশ দিলেন শান্তনু ব্যানার্জি।।
এত ভাল লেগেছিল, জমিই কিনে ফেলেছিলেন মহানায়ক। দিগন্তজুড়ে নীল জলাশয়। ওপারেই সবুজ পাহাড়। বেশি দূরে নয়, কাছেই আছে তোপচাঁচি। চাইলে ঘুরে আসতে পারেন। লিখেছেন অভিরূপ কুমার।
তিনদিক ম্যানগ্রোভ দিয়ে ঘেরা। ঠিক যেন আইল্যান্ড। লক্ষ লক্ষ লাল কাঁকড়া ঘুরে বেড়াচ্ছে বিচ জুড়ে। ওয়াচ টাওয়ার থেকে দেখে নেওয়া যায় সুন্দরবনের শোভা।
দুর্দান্ত লোকেশন, ভিড় আর কংক্রিটায়নের হাত ধরে মৃত্যুর প্রহর গুনছে। এখনও যাওয়া যায়। দিঘার হাল হতে আর বছর খানেক। তাই তার আগেই বেড়িয়ে আসুন হেনরিজ আইল্যান্ড।
গোয়া যাওয়ার অনেক খরচ। কিন্তু যদি পূর্ব ভারতের গোয়ায় যাওয়া যায়! একদিকে দু হাজার বছরের ইতিহাস। অন্যদিকে ঝাঁ চকচকে আধুনিকতাও। যাওয়া–আসাও খুব সহজ। কোথায় ? হদিশ দিলেন শান্তনু ব্যানার্জি।।
টানা তিন মাস বন্ধ ছিল। এবার খুলে যাচ্ছে উত্তরের জঙ্গল। খুলে যাচ্ছে সুন্দরবনও। বাঙালির জঙ্গল অভিযানের দ্বিতীয় অধ্যায় এবার শুরু।
নামেই ভিনরাজ্য। আসলে, একেবারেই পড়শী। দিঘা পেরিয়ে একটু গেলেই তালসারি। সেখান থেকে ঢুঁ মেরে আসতেই পারেন বিচিত্রপুর। সৈকত জুড়ে লাল কাঁকড়ার মিছিল। নির্জনতা আর অরণ্য মিলিয়ে অন্য এক অনুভূতি। দুদিনের সেই ঝটিকা সফরের কথা উঠে এল তানিয়া বর্ধন ঘোষের কলমে।
একদিকে, সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে। সারা দেশেও আগের তুলনায় সংখ্যাটা বেড়েছে। কিন্তু বক্সা টাইগার রিজার্ভ ফরেস্টে কোনও বাঘের হদিশ পাওয়া গেল না। শুধু বক্সা নয়, উত্তরবঙ্গের কোনও জঙ্গল থেকেই বাঘের অস্তিত্বের কোনও প্রমাণ পাওয়া গেল না। ফলে বাঘ নেই বক্সায়— এই প্রবাদটা আরও জোরালো যুক্তি পেল।
বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা এবার বোধ হয় ফুরোলো। কোথাও কোথাও এর মধ্যেই বৃষ্টি শুরু। দক্ষিণবঙ্গ ভিজবে শুক্রবার থেকেই। নিম্নচাপ আসছে। একদিকে উত্তরবঙ্গ ভাসছিল, অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গ চাতক পাখির মতো অপেক্ষা করছিল বৃষ্টির জন্য। অবশেষে, স্বস্তির বৃষ্টি আসতে চলেছে।
চারিদিকে পাহাড়। কোথাও ঘন, কোথাও হালকা জঙ্গল। পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে সুবর্ণরেখা। এই পথেই হাঁটতেন বিভূতিভূষণ। দুদিন ছুটি পেলে সেই নির্জন পথে আপনিও হেঁটে আসতে পারেন। গালুডি থেকে ফিরে লিখলেন সন্তু বিশ্বাস।।